আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি, ভিডিও পোস্ট করেই লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক। টার্গেট ছিল শুধুমাত্র মহিলা কনস্টেবল। কমপক্ষে ২০ জন মহিলা কনস্টেবলকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি দায়ের হয়েছে পাঁচটি এফআইআর।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ধনী ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিক্রান্ত তোমরা কমপক্ষে ২০ জন মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ২৩ বছর বয়সি ওই যুবক বিলাসবহুল জীবনযাপন ও বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন মহিলা কনস্টেবলদের থেকে। ২০ জন মহিলা কনস্টেবলের থেকে কমপক্ষে ২৪ লক্ষ টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ আরও জানিয়েছে, একই ব্যাচের মহিলা কনস্টেবলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন বিক্রান্ত। এমনকী দামি গাড়ি, বিলাসবহুল জীবনযাত্রার টোপ দিয়ে বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিতেন। এরপরই নানা অজুহাতে হাজার হাজার টাকা নিতেন তাঁদের থেকে। প্রতারণার অভিযোগের ভিত্তিতে বিক্রান্তকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।
সম্প্রতি কারোল বাগ থানায় যুবকের বিরুদ্ধে বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগ জানিয়েছিলেন এক মহিলা কনস্টেবল। তদন্ত শুরুর পর পুলিশ জানতে পারে, একে একে ২০ জন মহিলা কনস্টেবলের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করেছেন বিক্রান্ত। কিছুদিন মেলামেশা করেই টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, বিক্রান্ত আদতে উত্তরপ্রদেশের বাগপাতের বাসিন্দা। স্পোর্টস কোটায় দিল্লি পুলিশে চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়ার নামে মহিলা কনস্টেবলের সঙ্গে ওই যুবক বন্ধুত্ব পাতান। এমনকী তিনি নিজেকে একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবেও পরিচয় দিয়েছিলেন। বিভিন্ন মহিলা কনস্টেবলের থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকার মধ্যে প্রায় ৮ লক্ষ অভিযুক্তের নির্দেশে একটি বেটিং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্ত যুবক কোনও চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
