ঢাকের আওয়াজ, ধুনুচি নাচ আর শিউলি ফুলের গন্ধ— ভৌগোলিক দূরত্ব যতই থাক, প্রবাসী বাঙালিদের মন পড়ে থাকে সেই চেনা আড্ডায়। আর সেই উৎসবের আমেজকে দ্বিগুণ করতে এবার সিঙ্গাপুরের দুর্গাপূজায় হাজির হয়েছেন বাংলাদেশের এই প্রজন্মের সংগীতশিল্পী পর্ণা আর দাস। তার সুরের জাদুতে মেতে উঠলেন সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী হাজারো প্রবাসী বাঙালি
সাধারণত কর্মব্যস্ত প্রবাস জীবনে উৎসবের দিনগুলোই হয়ে ওঠে একে অপরের কাছাকাছি আসার মাধ্যম। সিঙ্গাপুরের অন্যতম বৃহৎ একটি মণ্ডপে আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় হাজির হয়েছিলেন আবালবৃদ্ধবনিতা।
বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এই গায়িকা। ২০২০ সাল থেকে প্রায় প্রতি বছরই দুর্গাপূজার চার দিন (ষষ্ঠী থেকে নবমী) সেখানে গান শোনাতে যান পর্ণা।
সিঙ্গাপুরের পূজামণ্ডপের আয়োজন সম্পর্কে পর্ণা বলেন, ‘এক পাশে প্রতিমা থাকে, আরেক পাশে স্টেজ সাজানো হয়। ঢাকায় গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপগুলো যেভাবে সাজানো হয়, এখানেও তেমন আয়োজন থাকে। শুক্রবার থেকে গান করছি। দীপাবলি, সরস্বতী পূজা, কালীপূজাতেও গান করি। পুরো মাসটাই গানের ব্যস্ততায় কাটে।
দেশের বাইরে পূজা উদযাপন করলেও আনন্দ-উৎসবে কোনো কমতি থাকে না বলে জানান এই শিল্পী। পর্ণার ভাষ্য, সিঙ্গাপুরের জুরং ইস্টে পূজা উপলক্ষে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। পূজার পাশাপাশি তারা গান উপভোগ করেন, মেতে ওঠেন আনন্দ-উল্লাসে।
কিছুদিন আগে বলিউডের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী কুমার শানু ও উদিত নারায়ণের সঙ্গে কাজের পর এবার শানের সঙ্গে একটি দ্বৈত গান করেছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, কুমার শানু, নচিকেতা, উদিত নারায়ণ ও জাভেদ আলীর সঙ্গে তার কণ্ঠে আরও চারটি দ্বৈত গান সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। গানগুলোর ভিডিও নির্মাণের পর সেগুলো প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন পর্ণা।
