রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, আলোচনার লক্ষ্য হবে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবেই নিরাপত্তার বিষয়টি নির্ধারণ করতে চায় মস্কো।
এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন। ওই বৈঠকের পর ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ জানান, আগামী ১০ নভেম্বরের দিকে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছে রাশিয়া। আলোচনায় যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তাব্যবস্থা গুরুত্ব পাবে।
পুতিন আরও বলেন, ভবিষ্যতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে হলে ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তাকাঠামোর বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে মার্কিন দূতও গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
তবে শান্তি আলোচনার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে ভূখণ্ড নিয়ে বিরোধ। রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ চায়, অন্যদিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে নারাজ কিয়েভ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আলোচনায় বসার প্রস্তুতির কথা জানালেও যুদ্ধবিরতি ও মানবিক উদ্যোগের পক্ষেও অবস্থান জানিয়েছেন।
২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
