চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সাধারণ তথ্য অনুযায়ী, বাতাসে ভেসে থাকা সূক্ষ্ম ধুলিকণা শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে কাশি, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির সমস্যা বাড়াতে পারে। ধুলাবালির কারণে নাকের অ্যালার্জি, নাক বন্ধ হওয়া, চুলকানি এবং চোখে জ্বালাপোড়া ও লালচে ভাবও দেখা দিতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং আগে থেকে শ্বাসকষ্ট বা ধুলাবালিজনিত অ্যালার্জিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এ ধরনের দূষণে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
স্থানীয় ভ্যানচালক আলাউদ্দীন বলেন, “আমরা প্রতিদিন এ রাস্তায় বহুবার চলাচল করি। রাস্তার কাজ ধীরগতিতে চলছে। তার ওপর রাস্তায় পানি না দেওয়ায় ধুলাবালিতে আমরা নাজেহাল।”
গহর আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী ইংরেজি শিক্ষক মুজাহিদ ইসলাম সবুজ বলেন, “এ রাস্তায় আমরা নিয়মিত চলাচল করি। ধুলাবালির কারণে শ্বাসকষ্ট, কাশি, হাঁচি ও হাঁপানির ঝুঁকি বাড়ছে।” এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. রাফিউজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে ভেটখালী-শ্যামনগর সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে বলেও তিনি জানান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি নিয়মিত পানি ছিটিয়ে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে সড়কে চলাচল নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমবে।
The post ভেটখালী-শ্যামনগর সড়কে ধুলাবালির যন্ত্রণা, জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে ঝুঁকি appeared first on ভোরের চেতনা.
