দুর্গাপূজার টানা ছুটি ঘিরে অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে রাজধানী ঢাকাসহ শহরাঞ্চল। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে ছুটছে মানুষ। সরকারি ছুটির আগে গতকাল সোমবার শেষ কর্মদিবসে কাজের ব্যস্ততা শেষ করে আগেভাগেই গ্রামে যাত্রা শুরু করেছেন অনেক চাকরিজীবী। অনেকে আজ ধীরে-সুস্থে গ্রামের বাড়িতে যাবেন। গতকাল রাজধানীর সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।
এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন টানা পাঁচ দিনের অবকাশ। অন্যদিকে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ১০ দিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকছে। ফলে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের অনেকেই দীর্ঘ ছুটিতে আগেভাগে ঢাকা ছাড়ছেন।
গতকাল সরেজমিন সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন গন্তব্যের টিকিট কাউন্টারে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাত্রীর চাপ কয়েক দিন ধরেই বাড়তি ছিল। আজ মঙ্গলবার সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার পর এই চাপ আরও বাড়ছে।
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, সরকারি ছুটির পাশাপাশি আরও তিন দিন বাড়িয়ে ৮ দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর যাচ্ছেন। গত কোরবানির ঈদে বাড়ি যেতে পারেননি। তাই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গ্রামে স্বজনদের সঙ্গে ছুটির আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাচ্ছেন।
এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গল থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি পড়ায় অবকাশ দাঁড়াচ্ছে পাঁচ দিনে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা গ্রামের বাড়ি, ছোট ছুটিতে যাওয়া হয় না। এবার পূজার ছুটি বেশ কয়েক দিন হওয়ায় পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাবেন।
