ছবির ক্যাপশন: .
আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা :
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রশাসনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা জনগণের অর্থে পরিশোধ করা হয়। তাই জনগণকে কাঙ্ক্ষিত ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব। ১৭ বছর জনগণ প্রশাসনের সেবা পায়নি।
জনগণ যাতে সরকারি সেবা পেতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্মিত ভবন পরিদর্শন, জিআর প্রকল্পের চেক ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণ প্রশাসনের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর জনগণ যেন তাদের প্রত্যাশিত সেবা পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। প্রত্যেকের নিজের স্বাধীনতা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। তবে নিজের স্বাধীনতা ভোগ করতে গিয়ে অন্যের স্বাধীনতা হরণ করা যাবে না। পারস্পরিক অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখেই সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যক্রম এবং মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি মন্দির ও গির্জার পুরোহিতদের সম্মানী ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মানুষ এসব সুবিধার আওতায় আসবেন।
অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ শিবলিজ্জামান, সচিব মো. আব্দুল গনি, বিএনপি নেতা ওমর শাহনেওয়াজ, মো. আশরাফ হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
