সেঞ্চুরি পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিষেকEi Samay
Published on
:
2 min read
জীবনের কঠিন সময় কাটিয়ে সদ্য ২২ গজে ফিরেছেন। এ বার শুধু ফেরা নয়, নিজেকে প্রমাণ করলেন বাংলার নির্ভরযোগ্য উইকেটকিপার ব্যাটার অভিষেক পোড়েল। সোমবার কল্যাণীতে দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে ঝকঝকে সেঞ্চুরি করে শুধু কামব্যাকই করলেন না, নিন্দুকদের জবাবও দিলেন তিনি। দ্বিতীয় দিনের শেষে তাঁর রান ১৬১ বলে ১১৪।
দ্বিতীয় দিনে ১৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেন অভিষেক, ১১টা চার ও একটা ছক্কার উপর ভর করে এই রানটা করেন তিনি। দ্বিতীয় দিনের শেষে তিনি ১৩টা চার ও একটা ছক্কা মেরেছেন। অন্যদিকে তাঁর সঙ্গে অপরাজিত আছেন সুদীপ কুমার ঘরামি, যার রান ১২২, নটআউট। সুদীপ ও অভিষেকের জুটি করেছে ১৩৫ রানের।
কঠিন সময় পেরিয়ে কামব্যাক
সদ্য জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অভিষেক পোড়েল। তাঁর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন এক মহিলা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে মগরা থানার পুলিশ। আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান, এর পরেই তাঁকে CAB রঞ্জি দলে সুযোগ দেয়। আর তাতে নেমে তিনি নিজেকে প্রমাণ করলেন।
শুধু ভালো খেলাই নয়, অভিষেক ২০২৬ সালের IPL-এর পর থেকে আর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে নামেননি। এরমাঝে ব্যক্তিগত জীবনে ধাক্কার জন্য ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন। তার পর রঞ্জিতে নেমেও সে ভাবে প্রস্তুতির সুযোগ পাননি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২৫ দিন সুযোগ পেয়েছিলেন নিজেকে তৈরি করার। কিন্তু সব বাধা কাটিয়ে তাঁর কামব্যাকের প্রশংসা করছে ক্রীড়ামহল।
বাংলা বনাম দিল্লি, দ্বিতীয় দিনের শেষে ম্যাচের ফল
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি তুলেছিল ২৪০। ১৭.৩ ওভার বল করে ৯ ওভার মেডেন ও ৩০ রান দিয়ে চার উইকেট তোলেন মহম্মদ সামি। পাশাপাশি আকাশ দীপ দুই, আমির গনি তিন ও মুকেশ কুমার এক উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলার দুই ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরন (৩৪) ও অঙ্কুর পাল (১৭) ব্যর্থ হলেও তিনে নেমে সুদীপ কুমার ঘরামি দলের হাল ধরেন। এর পর পাঁচে নেমে তাঁকে সঙ্গত দেন অভিষেক পোড়েল। বাংলার রান ৩ উইকেটে ৩০৪, এগিয়ে রয়েছে ৬৪ রানে।
