বান্দরবান কালচারাল কমপ্লেক্স, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, পাহাড়ি সংস্কৃতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, থানচি ইনস্টিটিউট
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১২:১৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বান্দরবানে আগামী এক বছরের মধ্যে অত্যাধুনিক কালচারাল কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। পাশাপাশি থানচি উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউটকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। সভায় পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জ্ঞান সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বক্তব্য দেন। এতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
সভায় নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য জাতীয় সম্পদ। পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, লোকসংগীত, নৃত্য, পোশাক ও উৎসব দেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব ঐতিহ্য পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, পাহাড়ের প্রতিটি জাতিসত্তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য রয়েছে। এসব সংরক্ষণে গবেষণা, মাতৃভাষার চর্চা ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো জরুরি। পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নেরই অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সংস্কৃতিচর্চার সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা, পুলিশ সুপার ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

