সঞ্জু স্যামসনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতের সহজ জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা আলোর মুখ দেখতে পায়নি। দুর্দান্ত কামব্যাক করে জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতের বিপক্ষে চতুর্থ টি–টোয়েন্টিতে ২৪ রানে জয় পেয়েছে অতিথিরা। দাপুটে এ জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২–২ এ সমতায় ফিরল ক্যারিবীয়রা। তাতে সিরিজ হয়ে গেল জমজমাট। শেষ ম্যাচ পরিণত হলো অলিখিত ফাইনালে।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন ভারতের ব্যাটাররা। ২৪৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম তিন ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৫০ রান তোলে ভারত। মাত্র ১৮ বল খেলে একাই ৪৭ রান তোলেন মারকাটারি ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। অপর প্রান্তে তখন ব্যাটিংয়ের সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন অভিষেক শর্মার মতো ব্যাটার। স্যামসনের এমন তাণ্ডবে ভারতের সহজ জয় কেবল সময়ের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছিল।
তবে দুর্দান্ত এই সূচনার পর মাঝপথে খেই হারিয়ে ফেলে ভারত। ক্যারিবীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও চমৎকার ফিল্ডিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ভারতের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২২৩ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শাই হোপ ও কিমো পল। হোপের দারুণ সেঞ্চুরি এবং পলের ফাইফার (৫ উইকেট)—এর সুবাদে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। চাপের মুখেও দুর্দান্ত বোলিং করে দলের জয় নিশ্চিত করেন পল। এই জয়ে সিরিজে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২–২ সমতা আনল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে সিরিজের শেষ ও নির্ধারণী ম্যাচটি এখন রূপ নিয়েছে অঘোষিত ফাইনালে। শনিবার সিরিজ–নির্ধারণী পঞ্চম ও শেষ টি–টোয়েন্টি হবে বেঙ্গালুরুতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ২৪৭/৩, ২০ ওভার (হোপ ১০২*, রাদারফোর্ড ৪৯*, হেটমায়ার ৩৩; যাদব ১/৩৬)।
ভারত : ২২৩, ১৯.৩ ওভার (স্যামসন ৫৬, তিলক ৪৩, নীতিশ ৪১; পল ৫/৪১)।
ফল : ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪ রানে জয়ী।
সিরিজ : ভারত ও উইন্ডিজ ২-২ এ সমতায়।
ম্যাচসেরা : শাই হোপ।
