নির্ধারিত মৌসুম ছাড়া পর্বতারোহীদের উদ্ধার অভিযানে ফি ধার্যের পরিকল্পনা (২) মৌসুম বহির্ভূত সময়ে আরোহণের চলমান সমস্যা
এনএইচকে দুর্যোগ প্রশমন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে ফুজি পর্বতের সীমানা বিভক্তকারী দুটি জেলা সরকার, নির্দিষ্ট কিছু শর্তে নির্ধারিত মৌসুম ছাড়া পর্বতারোহীদের উদ্ধার অভিযানের জন্য ফি ধার্য করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। চলতি ধারাবাহিকে আমরা এই পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ এবং এর প্রেক্ষাপট খতিয়ে দেখব। আজ আমরা মৌসুম বহির্ভূত পর্বত আরোহণের ঝুঁকিগুলোর প্রতি নজর দেবো।
অমৌসুমে ফুজি পর্বত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। এমনকি অভিজ্ঞ পর্বতারোহীরাও পর্বত সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। আরোহণের মৌসুমের আবহাওয়ার চেয়ে এই সময়কার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন হয়। অমৌসুমে হিমাঙ্কের নীচের তাপমাত্রা একটি সাধারণ ঘটনা। নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা প্রায়ই মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে থাকে। প্রবল বাতাসে ছোট ছোট পাথর উড়ে এসে পর্বতারোহীদের মুখ ও চোখে আঘাত করতে পারে এবং দমকা হাওয়ার কারণে তারা বরফাবৃত ঢাল বেয়ে পড়ে যেতে বা পিছলে যেতে পারেন। ভূমিধসের কারণে পথ ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়লেও, সেগুলোর অবস্থার উন্নতির জন্য কোনো কাজ করা হয় না। সাইনবোর্ড এবং মানচিত্রও সরিয়ে ফেলা হতে পারে। গ্রীষ্মকালীন আরোহণ মৌসুমে অতিরিক্ত সেলফোন বেস স্টেশন স্থাপন করা হয়। মৌসুম বহির্ভূত সময়ে, স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অস্থায়ী বেস স্টেশনগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। ফলে, মোবাইল ফোনে প্রায়ই নেটওয়ার্ক খুব কম বা একেবারেই থাকে না। এসময়ে আবহাওয়া পরিস্থিতি মাঝে মাঝে উদ্ধার অভিযানকে ব্যাহত করে। শিযুওকা এবং ইয়ামানাশি জেলার কর্মকর্তারা মৌসুম বহির্ভূত সময়ে পর্বতারোহণ এড়িয়ে চলার জন্য জনগণকে জোরালোভাবে অনুরোধ করলেও, অনেকেই আরোহণ অব্যাহত রাখেন। ফলে, বেপরোয়া এবং অপ্রস্তুত পর্বতারোহীরা একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমাদের পরবর্তী পর্বে, আমরা হেলিকপটারে করে উদ্ধারের জন্য ফি ধার্য করার বিষয়ে স্থানীয় জেলাগুলোর বিবেচনাধীন পরিকল্পনাসমূহ নিয়ে আলোচনা করব। এই পদক্ষেপটির লক্ষ্য হলো মৌসুম বহির্ভূত সময়ে বেপরোয়া পর্বতারোহণকে নিরুৎসাহিত করা।
এই তথ্যসমূহ ২০২৬ সালের ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত নেয়া।