পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ পিএম
নিহত মো. ইমন। ছবি: সংগৃহীত
-->চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ছিঁড়ে পড়া তারে স্পৃষ্ট হয়ে মো. ইমন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাগজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন ওই এলাকার মো. ইয়াকুবের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে কাগজীপাড়া এলাকায় পিডিবির বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের একটি তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে ছিল। বিকেলে ইমন ওই তারের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. হালিমা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছিল।
স্থানীয় যুবদল নেতা মামুনুর রশীদ অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পিডিবি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকা অবস্থাতেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার ছিঁড়ে পড়ার পর পিডিবির কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও সময়মতো লাইন বিচ্ছিন্ন না করায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।
একই অভিযোগ করেন নিহতের প্রতিবেশী মো. মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, তার ছিঁড়ে পড়ার পরপরই পিডিবি কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়নি।
পটিয়া পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউন্নবী বলেন, পিডিবি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গাছের ডালপালা কাটার কারণে বিদ্যুতের একটি তার ছিঁড়ে যায়। খবর পেয়ে পিডিবির কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তার দাবি, লাইন সচল থাকা অবস্থায় ইমন অসাবধানতাবশত তারের সংস্পর্শে আসায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
রাফিউল/এএফ
আরও পড়ুন
সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই এ দেশেরই মানুষ: এমপি মান্নান
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। ছবি: খবরের কাগজ
-->এ দেশে সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই এ দেশেরই মানুষ বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।
তিনি বলেন, ‘সোনারগাঁয় কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই। এ দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করে, তাই আমাদের কাছে সংখ্যালঘু বলে আলাদা কিছু নেই, আমরা সবাই এ দেশেরই মানুষ।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন এবং সোনারগাঁ পৌরসভার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মান্নান বলেন, ‘সোনারগাঁয় এবার মোট ৩৮টি পূজা মণ্ডপ রয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপিত হয়, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। সরকারের অর্থায়নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমার সাধ্যমতো প্রতিটি মণ্ডপে শাড়ি ও আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’
পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, সোনারগাঁও থানার ওসি আব্দুল বারিক, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, সাবেক যুবদল নেতা হারুন রশীদ মিঠু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা এবং পূজা কমিটির সদস্যরা।
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করছেন এবং সংসদ সদস্যের এ সময়োপযোগী উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ইমরান হোসেন/রিফাত/
আরও পড়ুন
রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৮
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় কোতোয়ালি থানার বিশেষ অভিযানে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি অবৈধ পিস্তল, গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে অবৈধ অস্ত্রধারী, চুরি মামলার আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, যৌতুক মামলার আসামি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি রয়েছে।
পুলিশ জানায়, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের নির্দেশনায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে থানা-পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল শহরের রাজবন বিহার এলাকার বিহারপুর থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, গুলি ও মোটরসাইকেলসহ অমর জ্যোতি চাকমা (৪৫) ও লক্ষ্মী চন্দ্র চাকমা (৩৪) গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া রিজার্ভ বাজারের নীচের রাস্তা এলাকা থেকে মাদকসেবী হিসেবে মো. হাসান (১৯) ও মাদক কারবারি মো. রুবেলকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। চুরির অপরাধে কলেজ গেট আউলিয়ানগর এলাকা থেকে মো. রায়হান (২০) ও তবলছড়ি পুলিশ লাইন্স এলাকা থেকে মো. শাকিল হাওলাদারকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আমানতবাগ এলাকা থেকে মো. জসিম উদ্দিন (৫৭) এবং যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলায় ভেদভেদী মুসলিম পাড়া মুখ এলাকা থেকে মো. রিমন আহমেদ দিপুকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জিয়াউর/এএফ
আরও পড়ুন
রংপুরে ২৬ মামলার আসামি মেরিল সুমন গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->অস্ত্র আইনে মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী রংপুরের রাজিব হোসেন সুমন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি-১৩, রংপুর। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ ২৬টি মামলার সন্ধান পেয়েছে এসআরবি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় এসআরবি রংপুর সদর দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে উপঅধিনায়ক মেজর সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
এর আগে রবিবার (১৮ অক্টোবর) মধ্যরাতে তাকে নগরীর সিও বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার মেরিল সুমনের নামে রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, মাদক, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৬টি মামলা আছে। এরমধ্যে ১টি হত্যা, ৮টি হত্যাচেষ্টা ও মারামারি, ৪টি চাঁদাবাজি, ৩টি ডাকাতি প্রস্তুতি, ৬টি অস্ত্র ও ১টি করে অপহরণ, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, মাদক ও দ্রুত বিচার আইনে মামলা আছে।
এসআরবির এ কর্মকর্তা জানান, ‘গ্রেপ্তার মেরিল সুমন রংপুর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ জগতে সক্রিয় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার করার পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আমাদের এসআরবি-১৩ সদর দপ্তর কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। তার অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান, সহযোগীদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের জন্য এসআরবি গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শারীরিক চেকআপের পর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করে এসআরবি।
সেলিম/নাঈম
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরে হচ্ছে ৮.৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ভবন ও শেডের অব্যবহৃত ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট (পিক) উৎপাদন ক্ষমতার রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০ বছর ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘গ্রিন পোর্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ‘গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভ’ (জিজিআই) লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং জিজিআই-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম।
বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বেসরকারি বিনিয়োগে সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের অংশ হিসেবে জিজিআই কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ‘অপারেটিং-এক্সপেন্স’ মডেলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে শুরুতেই কোনো মূলধনী বিনিয়োগ বা অর্থায়ন করতে হচ্ছে না।
পরিবেশবান্ধব এই রুফটপ সোলার প্ল্যান্টটি বাণিজ্যিক উৎপাদনের তারিখ থেকে পরবর্তী ২০ বছর চট্টগ্রাম বন্দরকে নিরবচ্ছিন্ন সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকল্পটির সার্বিক নকশা, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়, নির্মাণ, পরীক্ষা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে বিদ্যুৎ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান জিজিআই। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চুক্তিবদ্ধ শর্তানুযায়ী নির্ধারিত স্থির ট্যারিফ হারে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ এই সৌর প্রকল্প থেকে সংগ্রহ করবে, যার মাধ্যমে আগামী ২০ বছরে বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই উদ্যোগ সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের নির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আর্থিকভাবে লাভজনক হবে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দর শুধু দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবেই নয়, বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, গ্রিনহাউস গ্যাস ও কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং টেকসই বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
প্রকল্পটি ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডের সাথে ‘নেট মিটারিং’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংযুক্ত থাকবে, যার ফলে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকবে।
এএফ/
