Published on
:
2 min read
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার-হিটিংয়ের সংজ্ঞাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছেন অভিষেক শর্মা। তিনি ব্যাট হাতে ক্রিজে নামা মানেই প্রতিপক্ষের বোলারদের জন্য খারাপ খবর। আর এই বিধ্বংসী মেজাজের ফলও পাচ্ছেন তিনি। একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়ে নিচ্ছেন। রবিবার ইন্দোরের হোলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের তৃতীয় ম্যাচে এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে বলের সংখ্যার নিরিখে দ্রুততম ২০০০ রান করার বিশ্বরেকর্ড গড়লেন পাঞ্জাবের এই বাঁহাতি ব্যাটার। সঙ্গে তিনি টপকে গেলেন ভারতের প্রাক্তন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে।
১০২৮ বলে বাজিমাত
ইন্দোরের ব্যাটিং-স্বর্গ বলে পরিচিত পিচে ৩৩ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলার পথেই এই বিরল কীর্তি স্থাপন করেন অভিষেক। ২০০০ রানের গণ্ডি পার করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ১০২৪টি বল। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০০ রান পূর্ণ করতে সূর্য নিয়েছিলেন ১১৬৪ বল। অভিষেক সেই রেকর্ড টপকে গেলেন ১৪০ বল আগেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্য়াচে তিনি ৩০ বলে ৬৯ রান করে আউট হন।
রেকর্ডের সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্ব অবশ্য এই প্রথম নয়। গত মাসেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দেশের দ্রুততম টি-টোয়েন্টি শতরানকারী হয়েছিলেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দেন ২০১৭ সালে এই ইন্দোরের মাঠেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে রোহিত শর্মার গড়া ৩৫ বলের ভারতীয় রেকর্ড। এর পাশাপাশি গত জুলাই মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে ১০০ ছক্কার রেকর্ড রেকর্ড গড়েন অভিষেক। তিনি পেছনে ফেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান ওপেনার এভিন লুইস (৭৮৯ বল), নিউ জ়িল্যান্ডের ফিন অ্যালেন (৮৭১ বল) এবং সূর্যকুমার যাদবকে (১০০৭ বল)।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতের নীল জার্সিতে অভিষেক হওয়া এই তরুণ তুর্কি গত বিশ্বকাপ সাইকেলের সবচেয়ে ধারাবাহিক ও মারকুটে ওপেনার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। বর্তমানে তিনি আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে কিছুটা অফ-ফর্মে থাকলেও আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে খেলেছিলেন চোখধাঁধানো এক অর্ধশতরানের ইনিংস, যা ভারতকে শিরোপা জিততে সাহায্য করেছিল।
