দিল্লির দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রতিবাদের ঐতিহাসিক কেন্দ্র ‘যন্তর মন্তর’ চত্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডেজিগনেটেড প্রোটেস্ট সাইট’-এর তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ এই নির্দেশিকা জারি করে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিষয়টি জানা গেছে।
যন্তর মন্তরের পরিবর্তে ভারতের রাজধানীতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নতুন করে তিনটি বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো, রামলীলা ময়দান (যন্তর মন্তর থেকে ৪-৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত); উত্তর দিল্লির বুরাড়ি ময়দান (যন্তর মন্তর থেকে প্রায় ১৫-১৭ কিলোমিটার দূরে) ও পূর্ব দিল্লির শাহদারা বা প্রীতমপুরা সংলগ্ন এলাকার সিবিডি ময়দান (যন্তর মন্তর থেকে ১০-১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত)।
২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল জারি করা পুরোনো নির্দেশিকায় সংশোধন এনে এই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নীতিকে কেন্দ্র করে চলমান তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন ও গণবিক্ষোভের আবহে সেন্ট্রাল দিল্লির আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং ভিড় সামাল দিতে প্রশাসন এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে রয়েছে সংসদ ভবন, রাষ্ট্রপতি ভবন, নর্থ ব্লক, সাউথ ব্লক, রেল ভবনসহ বেশ কিছু সরকারি দপ্তর।
এদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্য আবার অনুমতি চেয়ে সোমবার থানায় যায়। সকাল ১০টা নাগাদ সিজেপির তিন শীর্ষ নেতানেত্রী দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান। এ নিয়ে টানাপড়েনের মাঝেই এই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে এল।
এ দিকে নির্দেশিকাটি প্রকাশ্যে আশার পর সিজেপি প্রধান অভিজীত দিপকে বলেন, ‘এবার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হবে।’
