স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণের জন্য সোমবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দেনের সভাপতিত্বে কমিশন সভা শুরু হবে।
এতে চার নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ইতোমধ্যে বলেন, “সোমবারে কমিশন মিটিংয়ে আমরা দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে জানিয়ে দেব—ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কয় স্লটে হবে, কবে হবে।”
সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ধাপে ধাপে জুনের প্রথমার্ধে শেষ করার কথা রয়েছে।
“তফসিল আমরা ঘোষণা করব না। তফসিল ঘোষণা করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা। আমরা স্লটগুলো বলে দেব যে—কোন কোন স্লটে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হবে,” বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনায় পরীক্ষার ফাঁকে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের জন্য সম্ভাব্য সময় ছিল- প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপ ২৭ মে।
কিন্তু আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সরকারের তরফে পরীক্ষার কারণে নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোট না করার পরামর্শ আসে। তবে ওই বৈঠকের পর ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট শেষ করার বিষয়ে সবাই সম্মত হয়েছে।
এরপর নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তারা জানুয়ারিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করতে চান।
ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করার জন্য সোমবার কমিশনের এ সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে-
>> স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন বিষয়ে আলোচনা।
>> ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ।
>> জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ নির্ধারণ।
>> ‘পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে’ অবস্থিত মেশিনসমূহের অবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ, কার্ড প্রিন্ট, বকেয়া বিল পরিশোধ, নতুন চুক্তি সম্পাদন ইত্যাদি বিষয়ে গঠিত কমিটির কার্যবিবরণী পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্ত প্রদান।
>> জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫ এর খসড়া অনুমোদন।
>> বিবিধ।
স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলা পরিষদ, পৌরসভার নির্বাচন হয় না ২০২৪ সাল থেকে। এসব প্রতিষ্ঠানও নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের পর স্থানীয় সরকারের অন্য নির্বাচনগুলো শুরু করবে ইসি।
