আচারসর্বস্বতা, রীতিনীতি মেনে স্রেফ পুঁথির শ্লোক পড়েই দুর্গাপুজো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব হয়ে ওঠেনি। এ পুজোর মধ্যে যতখানি শ্রদ্ধাভক্তি-নিয়ম আছে, ততটাই আছে প্রাণ। আমজনতার সেই প্রাণের পুজো এখন বিশ্ব দরবারে বন্দিত। বছর কয়েক আগে ইউনেস্কোর ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ তকমা পেয়েছে বাংলার দুর্গাপুজো। বিদেশি প্রতিনিধিরা পুজোর এই বৈশিষ্ট্য, ব্যাপকতা, সাজগোজে মুগ্ধ! সেই মুগ্ধতার রেশ কাটাতে পারলেন না ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্গিও গর। কলকাতার পুজোমণ্ডপ ঘুরে দেখে আপ্লুত তিনি। নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে সেই ছবি শেয়ার করে লিখলেন, ‘বুঝতে পারছি কেন এই উৎসব এত বিশেষ।’ রাজ্যবাসীকে শারদ শুভেচ্ছাও জানালেন।
নিজের এক্স হ্যান্ডলে কলকাতার দুর্গাপুজো নিয়ে পোস্ট করেছেন সের্গিও গর। দুর্গাপ্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘কলকাতায় ফেরাটা দারুণ ব্যাপার! এখানকার বেশ কয়েকটি পুজোমণ্ডপ নিজে ঘুরে দেখলাম। এটাই প্রথম অভিজ্ঞতা। সকলের অভূতপূর্ব সৃষ্টিশীলতা, একতা আর উষ্ণ পরিবেশ দেখে বুঝতে পারলাম, কেন এই উৎসব এত বিশেষ। পুজোর সঙ্গে যুক্ত সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা।’
বছরের এই বিশেষ কয়েকটি দিন অর্থাৎ দুর্গাপুজোর সময়টা যেমন আমজনতার কাছে আনন্দের, তেমনই বহু মানুষের কাছে তুমুল ব্যস্ততা। আসলে এর সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার শিল্পী, কারিগর। তাঁদের বছরভর পরিশ্রমে এত সুন্দর হয়ে ওঠে পুজোর আবহ। কোনও মণ্ডপ দর্শনে গেলে শুধুমাত্র প্রতিমাই নজর কাড়ে, তেমনটা নয়। মণ্ডপসজ্জা, কারুকার্য কিংবা প্রতিমার সাজ, অলংকার, সবই আলাদাভাবে চোখে পড়ে। আর এক জায়গায় এত বৈচিত্র্যে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। যেমনটা হলো মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্গিও গরের। কলকাতার একের পর এক পুজোমণ্ডপ দেখে নিজের বিস্ময় আর মুগ্ধতা যেন ধরতে পারেননি গর। তাঁকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছে মণ্ডপের সূক্ষ্ম শিল্পকাজ। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি দুর্গাপুজোর সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষজনের সৃজনশীলতার দারুণ প্রশংসা করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
Great to be back in Kolkata! Visited some beautiful pandals and experienced firsthand the incredible creativity, community spirit, and warmth. I can see why this celebration is so special. Happy Durga Puja to everyone celebrating! https://t.co/PsX4imUqhD
— Ambassador Sergio Gor (@USAmbIndia) October 12, 2026
নিজের এক্স হ্যান্ডলে কলকাতার দুর্গাপুজো নিয়ে পোস্ট করেছেন সের্গিও গর। দুর্গাপ্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘কলকাতায় ফেরাটা দারুণ ব্যাপার! এখানকার বেশ কয়েকটি পুজোমণ্ডপ নিজে ঘুরে দেখলাম। এটাই প্রথম অভিজ্ঞতা। সকলের অভূতপূর্ব সৃষ্টিশীলতা, একতা আর উষ্ণ পরিবেশ দেখে বুঝতে পারলাম, কেন এই উৎসব এত বিশেষ। পুজোর সঙ্গে যুক্ত সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা।’ কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি ছাড়িয়ে দুর্গাপুজো ঘিরে এই উৎসবের ছোঁয়া লাগে পৃথিবীর সব প্রান্তে। তাই তো সুদূর আমেরিকা থেকে কলকাতার পুজো দেখতে ছুটে এলেন। মেতে উঠলেন বাঙালির প্রাণের উৎসবে।
