১৫–১৭ নভেম্বর পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা, অংশ নেবে ১২টি খাত
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১১:২৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
ছবি- সংগৃহীত।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ এবং দেশীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈশ্বিক ক্রেতাদের সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ঢাকা ২০২৬’। আগামী ১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে এক্সপোর প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন, চেম্বার ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, গত বছর প্রথমবারের মতো এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছে দেশীয় পণ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এবারের আয়োজনে গত বছরের আটটি খাতের পরিবর্তে ১২টি খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে পণ্যের বৈচিত্র্য ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়বে।
তিনি বলেন, এক্সপোকে আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে সেমিনার, ব্যবসায়িক সংযোগ সভা (বিটুবি), অনলাইন ম্যাচমেকিং, নেটওয়ার্কিং এবং কারখানা পরিদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যাশন শো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, ঢাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, ক্রেতা সমিতি ও যৌথ বাণিজ্য চেম্বারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, নিবন্ধিত আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য হোটেলে বিশেষ মূল্যছাড়সহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ভ্রমণকারীদের জন্যও বিশেষ ছাড়ের সুযোগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় প্লাস্টিক, হিমায়িত খাদ্য, মৎস্য, পাট, আসবাবপত্র ও ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা কমপ্লায়েন্স-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, নীতিমালা সময়োপযোগী করা, বুথের মূল্য বিবেচনা এবং রপ্তানিকারকদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির প্রস্তাব দেন।
আয়োজকদের আশা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন, রপ্তানিকারক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সমন্বিত অংশগ্রহণে এ এক্সপো বাংলাদেশের নতুন রপ্তানি বাজার অনুসন্ধান, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশীয় উদ্যোক্তাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।

