ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান এবং মস্কোর রাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ বজায় রেখে সংঘাত বন্ধের পথ খুঁজতে এক নজিরবিহীন উদ্যোগ নিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছেন। আগামী মাসে এই সম্ভাব্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
মস্কো ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্প্রতি আয়োজিত এক টেলিফোন আলাপে পুতিন প্রথম এই আলোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেন। একই ফোনালাপে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার বিষয়েও দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ের কথা উঠে আসে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ নিশ্চিত করেছেন যে, শীর্ষ পরাশক্তিগুলোর মধ্যে এ ধরনের বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা চলছে। যদিও আলোচনার চূড়ান্ত রূপরেখা ও সূচি এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি, তবে নীতিগতভাবে তিন দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই এমন একটি কূটনৈতিক সংলাপের গুরুত্ব স্বীকার করেছেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে চীনের শেনঝেনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকেই এই ঐতিহাসিক বৈঠকের প্রস্তাব করেছে ক্রেমলিন। বেইজিং ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ওয়াশিংটন রাজি থাকলে এতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। ইউক্রেন সংঘাত দ্রুত বন্ধের যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের কৌশল হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত এই প্রস্তাবে সায় দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই ত্রিপক্ষীয় প্রস্তাবটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ঐতিহাসিক ‘ইয়াল্টা সম্মেলনের’ আধুনিক রূপ, যার মাধ্যমে ভূ-রাজনৈতিক প্রভাববলয় পুনর্বণ্টন ও বৈশ্বিক ভারসাম্য বজায় রাখার একটি বড় ধরনের পরিকল্পনা কাজ করছে। তবে মূল সম্মেলনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব যাতে আড়ালে চলে না যায় এবং ইউরো
