দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা নয়, ঝুঁকি কমিয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
-->রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা নয়, বরং দুর্যোগের আগেই ঝুঁকি কমিয়ে এনে একটি সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি ঘর ও পরিবারকে প্রস্তুত করার মাধ্যমেই টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা যেন কাগজে সীমাবদ্ধ না থাকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক।
আরও পড়ুন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যতম শক্তি জনগণের অংশগ্রহণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশের সবচেয়ে উদীয়মান ঝুঁকির একটি ভূমিকম্প। নগরে ভবন নির্মানবিধির প্রয়োগের ঘাটতি ভূমিকম্পের এ ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
এ সময় দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনায় নারী, শিশু, প্রবীন ও প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুন্সী রফিকুল আলম।
অন্তরা/
আরও পড়ুন
বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা সরকারের
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
-->যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ডা. জাহেদ জানান, ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাস। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার। প্রতিশোধ নয়, ন্যায় বিচার নিশ্চিতে হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা।
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ‘রিকনসিলিয়েশনের জন্য যারা মারাত্মক ফৌজদারি অপরাধ করেছে তাদের বিচার হতে হবে। যেই দল মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলে গেছে, তার জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত অনুতাপের কোনও লক্ষণ নেই, উপরন্তু তারা নানা রকম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ড. ইউনূসকে হেনস্তা করার চেষ্টা হয়েছ। তার অপরাধ হচ্ছে তিনি শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেন নিয়েছেন। শুধু এটি নয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে।’
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘যেই দল প্রকাশ্যে দেশের ভেতরে নানা রকম সহিংসতা ও সন্ত্রাস উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তাদের দলের প্রধানও এসব কাজ করে; সেখানে সরকারের দিক থেকে রিকনসিলিয়েশনের ইনিশিয়েটিভ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, ‘রিকনসিলিয়েশনের নূন্যতম কোনো সম্ভাবনা যদি থেকে থাকে, তাহলে সেটি আওয়ামী লীগকে তার জায়গা থেকে বলার কথা ছিল। দুই বছর পর তাদের আচরণ দেখে রিকনসিলিয়েশনের আদৌ কোনও সম্ভাবনা আমি দেখি না। ক্ষমা চাওয়া, অনুতাপ দূরে থাকুক; তারা হুমকি দিচ্ছে এবং নানা রকম সহিংসতা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার চেষ্টা প্রেশার গ্রুপ-ট্রুপ কিছু না, এগুলো আওয়ামী সন্ত্রাস। সেটা নিয়ে লিগ্যাল প্রসেস শুরু হয়েছে, ভবিষ্যতেও নেয়া হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এ ধরনের পদক্ষেপ আনচ্যালেঞ্জড যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।’
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ওমানের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ পিএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।ছবি: খবরের কাগজ।
-->ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, ‘ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ।’
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওমানে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে এফবিসিসিআই ও ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মরিয়ম সেজুতি/রিফাত/
আরও পড়ুন
কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পতনের পর দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৬২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
অন্তরা/
আরও পড়ুন
জেএফকেতে তোপের মুখে ড. ইউনূস, ভিডিও ভাইরাল
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ এএম
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
-->যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের তোপের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিমানবন্দরে তাকে দেখতে পেয়ে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ সময় তার বিরুদ্ধে হত্যা, গ্রেপ্তার ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রে আসার কারণ জানতে চান তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন
এতে বিমানবন্দর চত্বরে হুইলচেয়ারে বসা ড. ইউনূসের দিকে এগিয়ে এসে কয়েকজনকে উচ্চস্বরে আক্রমণাত্মক স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর এ টেররিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করতেও শোনা যায়।
এ ছাড়া বিক্ষোভকারীরা তার বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে বারবার ড. ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্রে আসার কারণ জানতে চাইতে শোনা যায়।
ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আপনি সন্ত্রাসী। আপনি বাংলাদেশে মানুষ হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন? আমাদের বলুন, কেন এসেছেন?’
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে দুই লাখ মানুষকে গ্রেপ্তার এবং হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যার অভিযোগ তোলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগও করেন তিনি।
ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমার দেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন?’
পরে অবশ্য কঠোর নিরাপত্তা ও সহযোগীদের বেষ্টনীতে ড. ইউনূস সামনের দিকে এগিয়ে যান। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রিফাত/
