অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর
- প্রকাশিত : ২০২৬-১০-২২
- ১৬ বার পঠিত
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যুরো:
অবৈধভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদন, চোরাচালান এবং অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে সরকারের বার্ষিক প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (NEIR) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
সংস্থাটির সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এই এনইআইআর ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (MFS) সব ধরনের জালিয়াতি বন্ধ সম্ভব হবে।
দুই ধাপে এনইআইআর বাস্তবায়নের রূপরেখা
প্রথম ধাপ (১ জানুয়ারি ২০২৭): এই ধাপে মূল কার্যক্রম চালু হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হ্যান্ডসেটের সংযোগ বা নিবন্ধন বাতিল করা হবে না। বর্তমানে নেটওয়ার্কে চালু থাকা মোবাইল ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে থাকা বৈধ হ্যান্ডসেটের আইএমইআই (IMEI) তথ্য যুক্ত করা হবে এবং চোরাচালানকৃত ও অবৈধ হ্যান্ডসেট শনাক্ত করা শুরু হবে।
দ্বিতীয় ধাপ (উপযুক্ত সময়ে): হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর করা হবে। এতে ফোনের প্রকৃত মালিকানা যাচাই, ক্লোন সেট প্রতিরোধ এবং আর্থিক অপরাধ দমন সম্ভব হবে।
নিরাপত্তা ও রাজস্ব রক্ষার প্রেক্ষাপট
রাজস্ব ক্ষতি: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) হিসাব অনুযায়ী, অবৈধ ও শুল্ক-ফাঁকি দেওয়া মোবাইলের কারণে সরকার প্রতি বছর বিশাল অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে।
জাতীয় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন: অপরাধীরা অবৈধ ও ক্লোন হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি, ফোন চুরি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ পরিচালনা করছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রতিটি হ্যান্ডসেটের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর চালুর তাগিদ দিয়ে আসছিল।
২০২৯ সালের মধ্যে ২ জি (2G) মোবাইল বন্ধের সিদ্ধান্ত
একই কমিশন সভায় বিটিআরসি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশজুড়ে শুধুমাত্র দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত ফিচার ফোন বা মোবাইল সেটের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধের রূপরেখা অনুমোদন করেছে। এই রূপরেখার অধীনে ২জি ফোনের আমদানি, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ওপর বিধিনিষেধ জারি করা হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..
ক্যালেন্ডার...
❮
❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat

