কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় এক দিনে দুই দফা ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ছয়টা ও দুপুর আড়াইটার দিকে এসব ঘটনা ঘটে। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের মুঠোফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ১০-১২ জনের মুখোশধারী ডাকাত দল।
ডাকাতির ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য তা জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে পাহাড়ে তাদের অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার।
ডাকাতির কবল থেকে পালিয়ে আসা রামু উপজেলার ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে হঠাৎ ডাকাত দল তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ডাকাতেরা তার মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে অন্য যাত্রীদের কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।
একই স্থানে দুপুর আড়াইটার দিকে দ্বিতীয় দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের কাছ থেকে মুঠোফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেয় ডাকাতরা। ভুক্তভোগীদের মধ্যে একটি বেসরকারি এনজিওর হিসাবরক্ষক আব্দুল হাকিমও রয়েছেন।
আব্দুল হাকিম জানান, দুপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগড় থেকে ঈদগাঁও যাওয়ার পথে হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে অস্ত্রধারী মুখোশ পরা ডাকাতেরা তাদের গতিরোধ করে। পরে কয়েকটি অটোরিকশার যাত্রীদের কাছ থেকে মুঠোফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুট করে তারা পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এ ঘটনায় পরে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, ডাকাতির ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তবে খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিকাল তিনটা থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চলছে।
