
ঘটনাস্থলে সোনামুখী থানার পুলিশছবি: eisamay.com
Published on
:
1 min read
স্ত্রী এবং বাবাকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এক তান্ত্রিকের কথায় ওই যুবক তার স্ত্রী এবং বাবাকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
পুলিশ সূত্রের খবর, মৃতদের নাম রুম্পা চৌধুরী (৩৯) এবং রাজেন্দ্র চৌধুরী (৬০)। বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসা থানার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে, সোমবার রাতে উদ্ধার হয় তাঁদের দেহ। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত মঙ্গল চৌধুরী।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতে দামোদর নদের চরে অবস্থিত লাল বাবা মানাচর এলাকা থেকে উদ্ধার হয় রুম্পা এবং রাজেন্দ্র চৌধুরীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, তান্ত্রিকের প্ররোচনায় অন্ধবিশ্বাসের বশে এই মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ, তান্ত্রিকের কথামতো প্রথমে নিজের আঙুল কেটে স্ত্রীর মুণ্ডচ্ছেদ করেন মঙ্গল। খুনের পরে সেই কাটা মুণ্ড মন্দিরে রেখে দেওয়া হয়। পরে বাবার গলা কেটে খুন করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গল চৌধুরী এবং তাঁর স্ত্রী নিয়মিত একটি মন্দিরে বসে পুজো-অর্চনা করতেন। তাঁদের বাড়িতে এক তান্ত্রিকের নিয়মিত যাতায়াত ছিল বলে দেখছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, ওই তান্ত্রিকের কুপ্ররোচনা এবং অন্ধবিশ্বাসের বসেই এমন পৈশাচিক কান্ড ঘটিয়েছেন ওই যুবক।
ওই মন্দিরে রুম্পার কাটা মুণ্ড দেখেই চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এলাকাবাসীর মধ্যে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার পুলিশ। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মঙ্গলকে। কী কারণে এই জোড়া খুনের ঘটনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
