পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ‘বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট সড়ক থেকে রকমান ব্যাপারী বাড়ি’ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক এলইজিইডির নথিতে পিচঢালা পাকা। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে পাকাকরণ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কারকাজ করা হয়। তবে বাস্তবে সড়কটিতে এক ঝুড়ি ইটের খোয়াও পড়েনি।
এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর এনটিভি অনলাইনে ‘কাগজে কলমে পাকা রাস্তা হলেও বাস্তবে কাদামাটি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে নড়েচড়ে বসে পটুয়াখালী এলইজিইডি। গত ১১ অক্টোবর ওই সংস্কারকাজের তদারক কর্মকর্তা ও দশমিনা উপজেলা এলইজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. লুৎফর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়। পরে ১৩ অক্টোবর তিনি শোকজের জবাব দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী এ টি এম সাদিকুর রহমান। এনটিভি অনলাইনকে তিনি বলেন, ‘আমি দশমিনায় যোগদানের আগেই সংস্কারকাজ শেষ হয় এবং বিলও পরিশোধ করা হয়। গত ৭ অক্টোবর একটি অনুমোদিত সড়কের সংস্কার প্রকল্পের বরাদ্দের টাকায় অন্য আইডিবিহীন সড়কে সংস্কারকাজ করা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের নজরে আসে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজের দায়িত্বে থাকা এসও লুৎফারকে শোকজ করা হয়েছে। ১৩ অক্টোরব তিনি শোকজের লিখিত জবাব দিয়েছেন। যা আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।’
এদিকে, শোকজ নোটিশ দেওয়ার পরের দিন ১২ অক্টোরব দুই দফায় বরাদ্দ দেওয়ার পরও কাজ না হাওয়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমান। এ সময় নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন ও দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী এ টি এম সাদিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমান বলেন, ‘তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
