ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়া আক্তার সুমা (৫০) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের এক নেত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজার এলাকায় সোনালী ব্যাংক ভবনের তৃতীয়তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত ডালিয়া আক্তার সুমা কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিছুদিন খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমা ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করতেন। তার বাবার বাড়ি বরিশালে এবং শ্বশুরবাড়ি কেরানীগঞ্জে। স্বামী লিয়াকত শিকদারের সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে একাই বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মজিবর রহমান জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে সুমা চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাঘাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান দুটির পরিচালনা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, ফ্ল্যাটের ভেতরে সুমাকে কে বা কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যদের আসার কথা রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানা যাবে।