২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর নাটোরের বড়াইগ্রামের রেজুর মোড়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩৭ জন নিহত হয়েছিলেন। এক যুগ পর আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) একই দিনে নাটোরের বড়াইগ্রামে ফের সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এবার প্রাণ গেছে ১৪ জনের।
বনপাড়া-হাটিকুমরুল যমুনা সেতু লিংক টোল মহাসড়ক নির্মাণের পর থেকে বড়াইগ্রামের মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপ বেড়েছে। কিন্তু যানবাহনের তুলনায় মহাসড়ক প্রশস্ত হয়নি। ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল গণি বলেন, যানবাহনের চাপের তুলনায় সড়কগুলো প্রশস্ত না হওয়ায় দুর্ঘটনা বাড়ছে।
মঙ্গলবার ভোরের দুর্ঘটনায় নিহতদের বেশিরভাগই দক্ষিণাঞ্চলের। এর মধ্যে শরিয়তপুরের সাতজন রয়েছেন। তারা হলেন-জুয়ের মাতুব্বর, সোহাগ, সাহলাল, আব্দুস সামাদ, কাশেম, জহুর উদ্দিন ও শাহীন।
এছাড়া নিহতের তালিকায় রয়েছেন–পটুয়াখালীর ব্যাংকার শহিদুল ইসলাম ও তার ৮ বছরের মেয়ে তারফিয়া। ঝিনাইদহের ট্রাকচালক আবুল কালাম, ফরিদপুরের হিমেশ জামাদার। এছাড়া আরও রয়েছেন–রাজশাহী গোদাগাড়ির বাসচালক সোহেল রানা, বাগমারার আনোয়ার হক ও নওগাঁর সাপাহারের রাসেল।
ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে প্রধান করে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন, যানবাহনের ফিটনেস, চালকের অবস্থা, সড়কের অবস্থা, দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
