- ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার্চিল ব্রাদার্স ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু ইস্ট বেঙ্গলে। বৃহস্পতিবার রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে ম্যারাথন ট্রেনিং করল হাবাস ব্রিগেড। চোট সমস্যা মিটিয়ে প্র্যাকটিসে নামলেন নাচো মনসালভেও। এদিন মাঠে এলেও প্র্যাকটিসে নামেননি জিভুলিচরা। শোনা গিয়েছিল, বেতন পেতে দেরি হওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত। এদিন যাবতীয় সমস্যা মিটে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ইস্ট বেঙ্গলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালান্স মজুত। সমস্যা অন্য জায়গায়। এতদিন পর্যন্ত ইমামি ইস্ট বেঙ্গলের অ্যাকাউন্ট থেকে কোচ, ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফেদের বেতন দেওয়া হত। গাঁটছড়া ভাঙার পর ইমামি শুধুই স্পনসর। আইনত আগের অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন দেওয়া যাচ্ছে না। নতুন কোম্পানি ফর্ম হতে সময় লাগবেই। এবিষয়ে শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘ভারত সরকারের নিয়ম মেনে ব্যাংকের কাজে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। আমরা তার বাইরে যেতে পারি না। ট্রানজিট পিরিয়ড পার হতে কিছুটা সময় লাগছে। আর কোনো সমস্যা নেই।’ পাশাপাশি প্র্যাকটিস বয়কট প্রসঙ্গে দেবব্রত সরকার বললেন, ‘কোম্পানি অ্যাক্ট মেনে সবাইকে চলতেই হয়। ভারতীয় ফুটবলার তো বটেই, বিদেশিদেরও তা জানা উচিত। ইস্ট বেঙ্গলের সঙ্গে ফুটবলারদের সম্পর্ক বরাবরই পারিবারিক। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাসী। এরপর ফুটবলাররা কী করবে সেটা তাদের বিষয়।’ উল্লেখ্য, শিল্ড ফাইনালের পর এসিএল টু’য়ের ম্যাচেও পরাস্ত হয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। টানা দুই ম্যাচে হারের পর প্রবল চাপে গোটা দল। তবে কি টাকা না পেয়েই ফোকাস নড়ে গেল ফুটবলারদের? প্রশ্ন তো থাকছেই।
এদিকে, বিদেশিদের পারফরম্যান্স নিয়েও সমর্থকরা বিরক্ত। বিশেষ করে জিভুলিচ, ইকোনমিডিসরা এখনো আস্থা অর্জনে ব্যর্থ। লাল-হলুদের শীর্ষকর্তার মন্তব্য, ‘রশিদ ও রামিরেজ বাদে বাকিদের চূড়ান্ত করেছেন কোচই। আমার ধারণা, তিনিও খুশি নন।’
