Published on
:
1 min read
দুর্গাপুজোর এই পবিত্র দিনগুলোতে ঘরের পরিবেশ শান্ত রাখা খুব দরকার। শাস্ত্র মতে, গঙ্গাজল হলো দেবী গঙ্গার পবিত্র রূপ, যা সংসারের সব নেগেটিভ এনার্জি বা খারাপ শক্তি দূর করতে পারে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও বড়সড় ভাঙচুর ছাড়াই ঘরের বাস্তুদোষ কাটাতে গঙ্গাজল ভীষণ কার্যকরী। তাই পুজোর দিনগুলোতে কী ভাবে ব্যবহার করবেন, গঙ্গাজল, জেনে নিন।
গঙ্গাজল কোথায় ও কী ভাবে রাখবেন?
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, গঙ্গাজল সবসময় ঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে (ঈশান কোণ) রাখা উচিত। এই দিকটিকে ঘরের সবচেয়ে পবিত্র বলে মনে করা হয়।
ভুল করেও প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রে গঙ্গাজল রাখবেন না। গঙ্গাজল সবসময় তামা, পিতল বা রুপোর পরিষ্কার ঘটিতে বা কলসিতে রাখা শুভ।
ঘরের অশান্তি ও নেগেটিভ এনার্জি কাটানোর সহজ উপায়:
দুর্গাপুজোর দিনগুলোতে সকালে পুজো শেষ করে বাড়ির মূল দরজায় সামান্য গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিন। তামা বা পিতলের পাত্র থেকে জল ছেটানো ভালো। এতে বাইরের খারাপ শক্তি বা নজর দরজাতেই আটকে যায় এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে।
ঘরের দক্ষিণ-পশ্চিম বা মাঝখানের অংশে যদি ভারী ভাব লাগে কিংবা সবসময় খিটখিটে মেজাজ থাকে, তবে আমপাতা দিয়ে পুরো ঘরে গঙ্গাজল ছেটান। এতে আটকে থাকা কাজ আবার শুরু হয়।
পরিবারে যদি অকারণে ঝগড়া বা অসুস্থতা লেগে থাকে, তবে ঠাকুরঘরে দেবীর সামনে একটি ঘটিতে গঙ্গাজল রেখে দুর্গা চালিশা মন্ত্র জপ করুন। পুজো শেষে সেই জল পরিবারের সবাই মিলে খেলে মন ও শরীর শান্ত থাকে।
কিছু জরুরি নিয়ম ও সতর্কতা:
যেখানে গঙ্গাজল রাখবেন, তার আশেপাশে ভুলেও জুতোর র্যাক, চামড়ার জিনিস বা নোংরা কিছু রাখবেন না।
গঙ্গাজল ছেটানোর সময় মন শান্ত রাখুন এবং আপনার মুখ যেন উত্তর বা পূর্ব দিকে থাকে।
