বিদেশে গেলে ছোটখাটো ভাষাজ্ঞানও অনেক কাজে দেয়। জাপানে গিয়ে ‘আরিগাতো’ (ধন্যবাদ) বলতে পারলে ভালো। কিন্তু বাথরুম কোথায়, খাবারটা কাঁচা কি না, কিংবা ভাতের সঙ্গে একটু ডাল পাওয়া যাবে কি না, এসব জিজ্ঞাসা করতে পারলে আরও ভালো। তাই জাপান ভ্রমণের আগে শিখে নিতে পারেন এই ১০টি বাক্য। বাংলা অর্থের পাশে বাংলা উচ্চারণও দেওয়া হলো।
জাপানে যাওয়ার আগে যে ১০টি জাপানি বাক্য শিখে যাবেন
১. বাথরুম কোথায়? (তোইরে ওয়া দোকো দেসু কা?)
২. বাথরুমে ব্যবহারের জন্য পানি পাওয়া যাবে? (মিজু ও আরিমাসু কা?)
৩. নরমাল পানি পাওয়া যাবে? (মিজু ও ইতাদাকেমাসু কা?)
৪. মাছটা কি কাঁচা? (সাকানা ওয়া নামা দেসু কা?)
৫. একটা চামচ পাওয়া যাবে? (সুপুন ও ইতাদাকেমাসু কা?)
৬. ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ডটা বলবেন? (ওয়াই-ফাই নো পাসুওয়াদো ও ওশিয়েতে কুদাসাই।)
৭. ভাত, ডাল, আলুভাজি আর ডিমভাজি কোথায় পাওয়া যাবে? (গোহান, দারু, জাগাইমো নো ইতামেমোনো, তামাগো নো ইতামেমোনো ওয়া দোকো দে তাবেরারেমাসু কা?)
৮. এটা কি রান্না করা, নাকি কাঁচা? (কোরে ওয়া চৌরি শিতে আরিমাসু কা? সোরেতোমো নামা দেসু কা?)
৯. এই প্লেটের খাবার একজনের জন্য যথেষ্ট হবে? (কোনো রিওরি ওয়া হিতোরি দে জুবুন দেসু কা?)
১০. আর লাগবে না, ধন্যবাদ। (মো কেক্কো দেসু। আরিগাতো গোজাইমাসু।)
জাপানে যাঁরা যাবেন, তাঁদের জন্য এই বাক্যগুলো কাজে লাগতে পারে। তবে মনে রাখবেন, বাংলা হরফে জাপানি শব্দের উচ্চারণ পুরোপুরি বোঝানো যায় না। তাই সম্ভব হলে অডিও শুনে উচ্চারণগুলোও শিখে নেবেন।
আর বাংলাদেশি অতিথিদের জন্য জাপানি হোস্টরা শিখবেন যে ১০টি বাংলা বাক্য
জাপানে বেড়াতে গেছেন এক বাংলাদেশি। জাপানি হোস্ট তাঁর জন্য সব আয়োজন করেছেন। কিন্তু অতিথি কী খেতে চান, কী খুঁজছেন, কিংবা তাঁর বদনা লাগবে কি না, সেটা বুঝবেন কী করে? তাই আগেভাগে কয়েকটা বাংলা বাক্য শিখে রাখলে মন্দ হয় না!
১. অ্যাঁ? আরেকবার বলবেন?
২. জি, বুঝেছি।
৩. আসেন, বসেন। চায়ে চিনি কয় চামচ?
৪. আপনি চাইলে হাত দিয়ে ভাত খেতে পারেন।
৫. ওইটা পানি খাওয়ার ফোয়ারা নয়, ওইটা কমোড!
৬. মাছটা আরেকটু রান্না করে দেব?
৭. আরও ভাত দেব?
৮. এটা কাঁচা নয়, শুধু ঠান্ডা।
৯. ধন্যবাদ। অনেক কষ্ট করে গেলেন! আবারও আসবেন!
১০. আচ্ছা সাদা ভাত আর ডিম পোচ আসছে!
