রঞ্জি ট্রফির প্রথম দিনেই বল হাতে চমক দিয়েছেন তিনি। দিল্লির বিরুদ্ধে চার উইকেট নিয়েছেন। সে দিনই ফিটনেস নিয়ে জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন মহম্মদ শামি। তাঁর দাবি, ফিটনেসের দিক থেকে একদম সঠিক জায়গায় আছেন। নাম না করে প্রাক্তন প্রধান নির্বাচককে একহাত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে তাঁর জাতীয় দলে ফেরা উচিত।
আগরকর প্রধান নির্বাচক থাকার সময় শামিকে না নেওয়ার ব্যাপারে বার বার ঢাল করতে ফিটনেসের কথা। বুঝিয়ে দিতেন, বয়স হয়ে যাওয়ায় শামির সেই ফিটনেস আর নেই। বার বার পারফর্ম করে জবাবও দিয়েছেন শামি। এ দিন সেই প্রসঙ্গে বলেন, “মনে হয় লোকে যেমন খুশি মন্তব্য করতে ভালবাসে। ওরা বলে আমি ছন্দে নেই, ফিট নই বা অন্য কিছু। এতে আমি একটুও চিন্তিতত নই। আমি মাঠে নেমে সুযোগ পেলেই খেলে দিচ্ছে। বাকিটা আপনাদের কাজ।”
তবে প্রকাশ্যে নির্বাচকদের নিয়ে কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। শামির জবাব, “আমি এ সব কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি। আমার কাছে আর এগুলোর কোনও অর্থ নেই। এখন যে যা খুশি চায় করতে পারেক। করুক গে। আমার কাজ শুধু খেলা।”
সম্প্রতি ভুবনেশ্বর কুমার চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন। শামির মতে, তাঁরও জাতীয় দলে ফেরা উচিত। বলেছেন, “একজন মানুষ আশায় বেঁচে থাকে। ভুবনেশ্বরের দক্ষতার দিকে তাকান। এমন নয় যে ও কারও সঙ্গে কথা বলত না। তাই বলে দিনের পর দিন প্রতিভাকে বাইরে বসিয়ে রাখা যায় না। এত দিন পর সুযোগ পাওয়ায় আমি খুশি। আইপিএলে ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলেছে। কেউ কঠোর পরিশ্রম করে দক্ষতার প্রমাণ দিলে, তাঁর প্রতিভা থাকলে কেন খেলবে না? সকলের পারফর্ম করার অধিকার রয়েছে।”
দিল্লিকে ২৩০ রানে শেষ করে দিলেও কল্যাণী স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে খুশি নন শামি। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, “পিচ দেখে ভাল মনে হয়নি। উইকেট বেশ মন্থর ছিল। আমরা আগেই দেখে আরও বেশি বোলার-সহায়ক পিচ চেয়েছিলাম। যে ভাবে আকাশ বা মুকেশ বল করেছে, ভারতের আর কোনও দলের এত ভাল জোরে বোলার নেই।”
শামির সংযোজন, “আমি এক বারও বলছি এ রকম বা ও রকম পিচ দিতে হবে। তবে আমাদের এমন পিচ দেওয়া উচিত হয়নি। বিশেষ করে আমাদের বোলিং বিভাগের কথা যদি মাথায় রাখেন। শক্তিশালী জোরে বোলারেরা থাকলে তাদের সাহায্য করবে এমন পিচ দেওয়া উচিত। সবুজে ঢাকা পিচ চাইনি। একটু তো সাহায্য থাকবে। অনেক বার এই দাবি করেছি। এ বার থেকে আর বলব না।”
