মণ্ডপের গেটে পা রাখলেই চোখে পড়বে মহর্ষি বাল্মীকির রামায়ণ রচনার দৃশ্য। তারপর গোটা মণ্ডপ জুড়ে একটার পর একটা অধ্যায়। রাম-সহ চার ভাইয়ের জন্ম, গুরুকুলে শিক্ষা, তারকা বধ, হরধনু ভঙ্গ, রাম-সীতার বিয়ে, বনবাস, ভরতের পাদুকা গ্রহণ, থেকে শুরু করে সীতা হরণ, বালি বধ, সেতুবন্ধন, অশোক বাটিকা, লক্ষ্মণের শক্তিশেল, কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ, রাবণ বধ, রামরাজ্যাভিষেক — গোটা রামায়ণই ধরা আছে মাটির মডেলে। মোট ৫২টি মাটির মডেল রয়েছে মণ্ডপ জুড়ে। রথের উপরে সাবেকি দুর্গা প্রতিমা। প্রতিমা ও মডেল সবই গড়েছেন কমিটিরই সদস্য, মৃৎশিল্পী অমল বৈশ্য। তাঁকে সাহায্য করেছেন কমিটির আরও ৪০ জন সদস্য। দিনের পর দিন শারীরিক পরিশ্রম, রাত জাগা সবই করতে হয়েছে সদস্যদের। মণ্ডপে আলোর কাজ করেছেন কালিয়াগঞ্জের শিল্পীরা।পুজো কমিটির সহ কোষাধ্যক্ষ তাপস সাহা বলেন, ‘এটা শুধু ৫০ বছরের উৎসব নয়, এটা আমাদের ঐক্যের প্রতীক। আমরা চেয়েছি, নিজেদের শ্রম দিয়ে দর্শকদের কিছু উপহার দিতে। রামায়ণের মাধ্যমে আমাদের পুরাণ, আমাদের সংস্কৃতিকে নতুন করে দেখাতে চেয়েছি। আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে।’
