ফুচকার ঘুগনিতে মেশানো হচ্ছে রং! পড়ে রয়েছে মেয়াদ উত্তীর্ণ নানা ধরনের মশলা। মিষ্টির দোকানে মিলল মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় জল ও পচা ছানার কেকও। ক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্নের মুখে উখড়া বাজারের খাবারের দোকানগুলি। দুর্গা পুজো পার হতেই বৃহস্পতিবার অন্ডালের উখড়া বাজারে একাধিক খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়ে খাবারের গুণগত মান ও স্বাস্থ্যবিধি খতিয়ে দেখল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক ছাড়াও এদিন অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অন্ডালের বিডিও দেবাঞ্জন দত্ত, দুর্গাপুর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং অন্ডাল থানার পুলিশকর্মীরা। এদিন প্রথমেই উখড়ার বাজপাই মোড়ের দুটি বড় মিষ্টির দোকানে হানা দেন আধিকারিকেরা। মিষ্টি ও অন্যান্য খাবারের গুণগত মান, দোকানের পরিচ্ছন্নতা এবং খাবারে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। শুধু দোকানেই নয়, মিষ্টি তৈরির কারখানাতেও হানা দেন তাঁরা। পরীক্ষার জন্য পানীয় জল-সহ বিভিন্ন উপকরণের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর উখড়া স্কুল মাঠের সামনে একটি ফুচকার দোকানে অভিযান চালাতেই সামনে আসে আরও একাধিক অভিযোগ। আধিকারিকদের নজরে পড়ে ফুচকার মশলা ও ঘুগনি। খাবারগুলি খাওয়ার অযোগ্য বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা।
অন্যদিকে, আরেকটি মিষ্টির দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঠান্ডা পানীয় এবং ছানার কেকও খাওয়ার অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়। সেগুলিও নষ্ট করে দেওয়ার নির্দেশ দেন আধিকারিকেরা। দুর্গাপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন,” উৎসবের মরশুমে বাজারে খাবারের চাহিদা বাড়ে। সেই সুযোগে খাবারের গুণগত মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কোনওরকম আপস করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে । ক্রেতাদের পাতে যে খাবার পৌঁছচ্ছে, তা আদৌ স্বাস্থ্যসম্মত কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান।”
