সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা রেখেছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় রাখা হয়েছে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব। এ জন্য জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাসা-বাড়ি, নালা-নর্দমা, ড্রেন-খালসহ এডিস মশার প্রজননস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাপকসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। অতীতেও বিভিন্ন মহামারি মোকাবিলায় বিএনপির সচেতন নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা সমন্বিতভাবে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। করোনাভাইরাস ও চলমান হাম পরিস্থিতিতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন।
সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা রেখেছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় রাখা হয়েছে।
দলের নেতাকর্মীদেরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশে নালা, নর্দমা, ড্রেন, ফুটপাত ও খাল পরিষ্কার এবং এডিস মশার প্রজননস্থলে ওষুধ ছিটানোর মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর আগে পুরান ঢাকার বিভিন্ন খাল পরিষ্কারের কাজও বিএনপির পক্ষ থেকে করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী বরাবরই গুরুত্ব দিয়েছে, সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত না করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু।
