গত ১০ বছরে তাঁর জীবনটা একেবারে বদলে গিয়েছে। তার আগে অবধি অন্যদের মতোই তাঁর কাছে দুর্গাপুজো মানে ছিল জামাকাপ়ড় কিনতে যাওয়া মা-বাবার সঙ্গে। বাইরে খাওয়া-দাওয়া। আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরা। অভিনেত্রী হওয়ার পরে পুজোর দিনগুলোও কাজে কাজে কাটে অভিনেত্রী ঊষসী রায়ের।
এই বছরেও যে তাঁর অন্যথা হচ্ছে তা নয়। বরং এখন বেশি করে মনে পড়ে ছোটবেলার পুজোর দিনগুলো। এখন জীবনে বিশেষ মানুষেরও আগমন হয়েছে। যদিও নায়িকা নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ‘স্পিকটি নট’। কোনও ভাবেই এই বিষয়ে কথা বলতে চান না। তবে আভাস দিলেন দিনের শেষে কিছু পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদেরও। কিন্তু তা সকলকে জানাতে একেবারেই রাজি নন ঊষসী।
অভিনেত্রী বললেন, “আমি সত্যিই চাই না ব্যক্তিগত জীবনকে কেন্দ্র করে আলোচনা হোক। তাই সেই বিষয়টা আড়ালেই রাখতে পছন্দ করি। পুজোয় কোনও না কোনও পরিকল্পনা করবই। কিন্তু বেশ কিছু পুজো পরিক্রমা আছে। কিছু জায়গায় নেমতন্ন আছে। সবটা সামলে তার পর নিজেদের বিশেষ পরিকল্পনা।”
তবে মা-বাবাকে আগেই পুজোর কেনাকাটা করিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। ঊষসী বলেন, “এখন আর মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে জামা কেনা হয় না। বলি তোমরা নিজের পছন্দের জিনিস কেনো বাকিটা টাকাপয়সার দায়িত্ব সব আমার। নিজে তো সারা বছর ধরেই নানা জিনিস কিনতেই থাকি।”
অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে সারাবছর নানা অনুষ্ঠানে যেতে হয় তাঁকে। তাই গোটা বছর ধরেই চলে পুজোর কেনাকাটা। ঊষসী যোগ করেন, “যদিও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নানা ধরনের পোশাক পরি। কিন্তু পুজোর চারদিন আমি শুধুই শাড়ি পরতে ভালবাসি। এই বছরেও তার অন্যথা হবে না।” কিন্তু এই সময়টা এলেই খুব মনে পড়ে নিউমার্কেটের কথা। ঊষসী বলেন, “ছোটবেলায় কত ঘুরেছি ওইসব চত্বর। মা-বাবার সঙ্গে যেতাম জামা কিনতে। এখনও ওই দিনগুলো খুব মনে পড়ে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে জীবন পরিবর্তন হবে, সেটাই স্বাভাবিক।” আপাতত এই পুজোয় পরিক্রমা, সুযোগ পেলেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা রয়েছে অভিনেত্রীর।
এই প্রতিবেদনটি আনন্দ উৎসব ফিচারের অংশ।
