টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেওয়ালে বাসের ধাক্কা, নিহত ২
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে একটি দেয়ালে ধাক্কা লেগে সুপারভাইজারসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার পৌলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী ‘যমুনা এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস পথিমধ্যে পৌলি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় বাসটি সড়কের পাশের একটি দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে বাসের সামনে থাকা সুপারভাইজার ও এক অজ্ঞাত যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং তিনজন আহত হন।
আরও পড়ুন
খবর পেয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন
জুয়েল/এএফ
আরও পড়ুন
টেকনাফ সীমান্তে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-১৫ অধিনায়ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভা কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন র্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মো. মাহমুদুল রহমান। শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সীমান্ত শহর টেকনাফে উৎসবমুখর পরিবেশ, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)। পূজামণ্ডপগুলোতে নিয়মিত দৃশ্যমান টহলের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্ট্রাইকিং রিজার্ভ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে টেকনাফ পৌরসভা কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় করেন এবং কেক কেটে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ অধিনায়ক, টেকনাফ থানা পুলিশের সদস্য এবং টেকনাফ পৌরসভা কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন
পরিদর্শন শেষে এসআরবি-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মো. মাহমুদুল রহমান বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির অখণ্ড অংশ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলনমেলা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ আমাদের সামাজিক সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করে।’
তিনি আরও জানান, এলাকাটিতে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় টহল জোরদারের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
আরও পড়ুন
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতা ও অধিনায়কের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতারাও।
সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এসআরবি-১৫, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
মো: শাহীন/এএফ
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে স্টেডিয়ামে লুকিয়ে রাখা হকারদের মালামাল জব্দ
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউড়ি এলাকায় জেলা স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বিভিন্ন দোকানের পেছনে লুকিয়ে রাখা হকারদের বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে চসিকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কাজির দেউড়ি মোড়ের উভয় পাশে স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা থেকে টাইলস মার্কেট এবং বিএনপির কার্যালয় হয়ে সামনের সড়কজুড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে চসিকের আভিযানিক দল স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বিভিন্ন দোকানের পেছনে গোপনে রাখা হকারদের সব মালামাল খুঁজে বের করে তা জব্দ করে। একই সঙ্গে রাস্তার আশপাশে থাকা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
আরও পড়ুন
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে ওই এলাকা থেকে অপসারণ করা মালামাল সরাতে ৩টি ট্রাক ও ১টি টমটম ব্যবহৃত হয়। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে চসিকের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এএফ/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
বাগেরহাটে লোকালয়ে বাঘের পায়ের ছাপ, আতঙ্কে স্থানীয়রা
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->বাগেরহাটের শরণখোলায় লোকালয়ে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদীতে সকালে মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন গ্রামের এক জেলে। তবে নদীতে নামার আগেই চরে একটি দৃশ্য দেখে থমকে যান তিনি। দেখতে পান, চরজুড়ে বাঘের হেঁটে চলার পায়ের ছাপ। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সেই খবর। গ্রামে বাঘ ঢুকেছে এমন আতঙ্ক দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে মসজিদের মাইক থেকেও সবাইকে সতর্ক করা হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সুন্দরবনসংলগ্ন শরণখোলা উপজেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন
তবে বন বিভাগ বলছে, বাঘটি ভোল নদী সাঁতরে এসে পাড় থেকে প্রায় ৫-৬শ মিটার ঘুরে আবার নদী সাঁতরে সুন্দরবন ফিরে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার কথা বলছেন তারা।
বন বিভাগ, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার সকালে উপজেলার সোনাতালা গ্রামের এক জেলে নদী চরে প্রথম বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পায়। পরে ছাপ অনুসরণ করে দেখা গেছে ভোলা নদী সাঁতরে বাঘটি গ্রামের পানির ঘাট এলাকায় উঠে। পরে নদী তীর ধরে উত্তর দিকে প্রায় ৫০০-৬০০ মিটার পর্যন্ত গেছে। পরে আবার নদীতে নেমে গেছে।
আরও পড়ুন
সোনাতলা গ্রামের ভিটিআরটি সদস্য আব্দুল লতিফ হাওলাদার বলেন, সোমবার সকালে গ্রামের পানিরঘাট এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপগুলো দেখতে বন বিভাগ ও ভিটিআরটিকে জানাই। সবই এসে পায়ের ছাপ দেখে বাঘের বিচরণের বিষয়টি নিশ্চিত হন।
ভিটিআরটির দলনেতা মো. জাকারিয়া হোসাইন বলেন, নদীর চরে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। ছাপগুলো দেখে ধারণা করা হচ্ছে, বাঘটি ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করে সুন্দরবনের দিকে চলে গেছে। তবে বাঘটি পুরোপুরি বনে ফিরে গেছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো উদ্বেগ রয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ধারণা করছি, গেল রাতে ভোলা নদী সাঁতরে বাঘটি লোকালয়ে এসেছিল। পায়ের ছাপ দেখে বাঘটি সুন্দরবনের দিকে ফিরে গেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জনসাধারণকে সচেতন করতে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি বনরক্ষী ও ভিটিআরটি সদস্যদের সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। এখানে নদী পার হয়ে যেকোনো সময় বন্যপ্রাণী আসতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক হতে হবে। যেন বাঘের দ্বারা মানুষের বা আমাদের দ্বারা বাঘের কোনো ক্ষতি না হয়। সে জন্য সবাইকে সতর্ক করে মাইকিং করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর যেন কেউ একা একা ঘোরা ফেরা না করেন সে জন্যও বলা হয়েছে।
নাহিদ ফরাজী/রিফাত/
আরও পড়ুন
পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ পিএম
নিহত মো. ইমন। ছবি: সংগৃহীত
-->চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ছিঁড়ে পড়া তারে স্পৃষ্ট হয়ে মো. ইমন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাগজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন ওই এলাকার মো. ইয়াকুবের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে কাগজীপাড়া এলাকায় পিডিবির বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের একটি তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে ছিল। বিকেলে ইমন ওই তারের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. হালিমা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছিল।
স্থানীয় যুবদল নেতা মামুনুর রশীদ অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পিডিবি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকা অবস্থাতেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার ছিঁড়ে পড়ার পর পিডিবির কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও সময়মতো লাইন বিচ্ছিন্ন না করায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।
আরও পড়ুন
একই অভিযোগ করেন নিহতের প্রতিবেশী মো. মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, তার ছিঁড়ে পড়ার পরপরই পিডিবি কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়নি।
পটিয়া পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউন্নবী বলেন, পিডিবি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গাছের ডালপালা কাটার কারণে বিদ্যুতের একটি তার ছিঁড়ে যায়। খবর পেয়ে পিডিবির কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তার দাবি, লাইন সচল থাকা অবস্থায় ইমন অসাবধানতাবশত তারের সংস্পর্শে আসায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
রাফিউল/এএফ
