যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্যক্তির
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় মোল্লা কলেজের সামনে গাড়ির ধাক্কায় মোহাম্মদ ফালু মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় গাড়ির গ্যারেজের কর্মী ছিলেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সজিব উর রহমান জানান, খবর পেয়ে তারা যাত্রাবাড়ীর কাজলায় মোল্লা কলেজের সামনে ফালু মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পথচারীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
তিনি আরও জানান, আশপাশের লোকজনের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন, কাজলা এলাকায় যাওয়ার সময় অজ্ঞাতপরিচয় একটি দ্রুতগামী গাড়ি ফালু মিয়াকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি রাস্তায় পড়ে থাকলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের ভাই রতন জানান, ফালু মিয়া গ্যারেজে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার সদর এলাকায়। তিনি আব্দুল মতিনের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর পূর্ব কদমতলীর জুরাইন এলাকায় বসবাস করতেন। এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন
আজিজুল হাকিম/রিফাত/
আরও পড়ুন
নিয়ন্ত্রণে এসেছে চকবাজারের আগুন
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৫ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->প্রায় ৯ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার আগুন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও পুড়ে গেছে ভবনের ছয় তলায় থাকা বিভিন্ন পণ্যের গুদাম।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনের ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা। মোগলটুলির সরু রাস্তা এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়, জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
আরও পড়ুন
চকবাজারের মোগলটুলির মনসুর খান প্লাজার এই আগুন নেভানোর কাজে ফায়ার ফাইটার ও এলাকাবাসী মিলে যোগ দেয় প্রায় আড়াইশ জন। দুজন ফায়ার ফাইটার অসুস্থ হয় পড়লে তাদের নেওয়া হয় হাসপাতালে।
এর আগে বিকেল ৫টার দিকে ভবনের ছয় তলায় আগুনের সুত্রপাত হয়।
আরও পড়ুন
খবর পেয়ে ৫টা ২২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট। ভবনটিতে ভ্যানিটি ব্যাগ, ছাতা, প্রসাধনী সামগ্রী, গ্যাসলাইটারসহ বিভিন্ন পণ্যের পাইকারী বাজার ছিল। ভবনের ছয় তলাতে ছিল এসব পণ্যের গুদাম। আগুন লাগার পর দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে পঞ্চম ও সপ্তম তলায়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এইখানে ব্যাগের দোকান, ছাতার দোকান ওইখান থেকে আগুনটা লাগছে। আগুন সেখান থেকে সব জায়গায় ছড়িয়ে যায়।
রাতে ঘটনাস্থলে আসেন দক্ষিণ সিটির প্রশাসক। অগ্নিকাণ্ডের জন্য রাজউকের গাফিলতিকে দায়ি করেন তিনি। পানির উৎস নিশ্চিতে পুরান ঢাকার পুকুর সংরক্ষণের আশ্বাস দেন তিনি।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘আমি আসার পর থেকে এইখানে যে কয়টা পুকুর আছে সেগুলোকে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছি। ড্রেনেজগুলোকে নতুন করে করার চেষ্টা করছি।’
ফায়ার সার্ভিস বলছে, ভবননের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার ঘাটতি, গুদামের দাহ্য পদার্থ এবং সরু রাস্তার কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘এইখানে বিভিন্ন ধরনের গোডাউন আছে। সেখানে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। এরপর আগুন বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যায়। এইখানে সরু রাস্তাঘাট থাকার ফলে আমাদের বেগ পেতে হয়েছে।
আগুনের কারণ নির্নয় ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে তদন্ত কমিটি হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রিফাত/
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজায় সারাদেশে মোতায়েন থাকবে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস
-->হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন থাকবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবেন।’
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিজিবি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেই চিহ্নিত করা, গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে বিজিবি নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত টহল ও সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
ঢাকায় বিজিবি মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে বিজিবি প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গাপূজা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার দীর্ঘ ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রকাশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত থাকবে।’
রিফাত/
আরও পড়ুন
৫ ঘণ্টাতেও নেভেনি চকবাজারের আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পিএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকার একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ১০টি ইউনিট একযোগে কাজ করছে। কিন্তু ৫ ঘণ্টা পরও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল ৫টা ০২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এলাকায় এসি মসজিদের পাশের ‘মুনসুর খান প্লাজা’ নামের বহুতল ভবনের ছয়তলায় অবস্থিত একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, প্রথমে পাঁচটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে ভবনে প্রচুর ধোঁয়া থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হয়। একপর্যায়ে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও পরে তা পাশের আরেকটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে মোট ৯টি ইউনিট কাজ করছে।
আরও পড়ুন
তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এএফ/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
প্রথমবার দেশে হচ্ছে টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
ছবি:সংগৃহীত
-->বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে উদ্ভাবন, গবেষণা ও উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’। আগামী ১২ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে উদ্ভাবন, উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে। উৎপাদন ব্যয় কমানো, জ্বালানি ও পানির সাশ্রয় এবং পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি।
আইটিইটি বাংলাদেশের মহাসচিব ও টিআইই স্টিয়ারিং বোর্ডের সদস্য প্রকৌশলী এ এস এম হাফিজুর রহমান নিক্সন বলেন, “বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পের পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং ‘ব্র্যান্ড ফ্রম বাংলাদেশ’ স্লোগানকে শক্তিশালী করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য। এক্সপোতে প্রায় ৫০টি কারখানা ও শতাধিক উদ্ভাবনী অংশীদার তাদের পণ্য, প্রযুক্তি ও গবেষণা তুলে ধরবেন।”
আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন বলেন, “দেশের টেক্সটাইলশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। উৎপাদন ব্যয় কমানো, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।” তিনি এ এক্সপোতে শিল্পসংশ্লিষ্টদের ব্যাপক অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
বিজিবিএর প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদ বলেন, “বিশ্ববাজারে উচ্চমানের ও বৈচিত্র্যময় পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। তবে আমদানিনির্ভর কাঁচামাল ও বাড়তি জ্বালানি ব্যয় দেশের পোশাকশিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পাট ও তুলার মিশ্রণসহ নতুন উপকরণ নিয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবন বাড়ানো গেলে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।”
আয়োজকদের তথ্যমতে, এক্সপোতে ডাইং ও প্রিন্টিং, টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়াল, গার্মেন্টস অটোমেশন এবং গ্রিন ও সাসটেইনেবল প্রযুক্তি নিয়ে চারটি থিম জোন থাকবে। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে ছয়টি টেকনিক্যাল সেমিনার ও একটি প্লেনারি সেমিনার। এক্সপোতে প্রায় পাঁচ হাজার দর্শনার্থী, ১০০টি ব্র্যান্ড ও ক্রেতা এবং ৩০টির বেশি দেশ থেকে ২০০ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
এক্সপোর অংশ হিসেবে আটটি বিভাগে দেওয়া হবে ‘টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। এতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, পণ্য উন্নয়ন ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এক্সপোর আয়োজক টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই)। সহ-আয়োজক টেক্সটাইল ইনোভেশন সেন্টার (টিআইসি), সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) এবং অংশীদার বিকেএমই ও বিজিবিএ। আয়োজনটি বাস্তবায়ন করছে টেক্সটাইল টুডে ইনোভেশন হাব (টিটিআইএইচ)।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের তুর্জো, আইটিইটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী সুমায়েল মুহাম্মদ মল্লিক এবং টিআইইর চেয়ারম্যান ও টিটিআইএইচের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইহসানুল করিম কায়সার।
আরও পড়ুন
মরিয়ম/নাঈম
আরও পড়ুন
