মণিপুরের গ্রামে বাড়িতে অগ্নিসংযোগছবি:এক্স
Published on
:
2 min read
হিংসার শেষ নেই মণিপুরে!
আগের দিনেই মণিপুরে খুন করা হয়েছে মেইতেই জাতির তিন মহিলাক। খুনের প্রতিবাদে মণিপুরজুড়ে বন্ধের ডাক দেওয়াও হয়। এরই মধ্য ফের হিংসার ঘটনা। কামজং জেলায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক বাড়ি। এরই পাশাপাশি কাংপোকপি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে কুকি-জ়ো উপজাতির এক ব্যক্তির। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে মণিপুরে।
মণিপুরে হিংসা
তিন বছরের বেশি সময় ধরেই অশান্ত মণিপুর। মেইতেই এবং কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে নিহত হয়েছেন প্রায় ২৬০ জন। আর, গত কয়েক দিন ধরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে মণিপুর। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কুকি এবং নাগাদের মধ্যে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫০ জনের। এর মধ্যে গত এক মাসেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪০ জনের। হামলা চালানো হয়েছে মায়ানমার সীমান্তে থাকা কামজং জেলাতেও। কামজং ছাড়াও কাংপোকপি, উরখুল থৌবাল জেলাতেও একাধিক গ্রামে হামলা চালানো হয়। আগুন লাগানো হয় দু'পক্ষের বাসিন্দাদের বাড়িতেও।
বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
সোমবার, কাংপোকপি এবং ইম্ফল সীমান্তে হামলায় তিন মহিলার মৃত্যুর পরে উপযুক্ত নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিল সরকার। তবে, এরই মধ্যে কামজং জেলায় একাধিক বাড়িত অগ্নিসংযোগ করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ভোর রাতে সেখানকার চাসাদ-এর কাছে খোকাই কুকি গ্রামে একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় সন্দেহভাজন জঙ্গিরা বলে জানা গিয়েছে। কুকি এবং নাগাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরুর পরেই অনেকেই আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। সেই পরিত্যক্ত বাড়িতেই এ দিন আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু
অন্য দিকে, মঙ্গলবার কাংপোকপির পি মল্ডিং (P Molding) গ্রামের কাছে গুলি করে খুন করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। মৃতের নাম পাওলেন খংসাই (Paolen Khongsai)। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়ে খুন করে কুকি-জ়ো উপজাতির এই ব্যক্তিকে। গ্রাম লাগোয়া জঙ্গল এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। এই খুনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে লেইমাখং (Leimakhong) থানার পুলিশ।
আর এক দিকে, একের পর এক হামলার পরে সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে মণিপুর পুলিশ।
মঙ্গলবার, ইম্ফলের সচিবালয়ে INDIA জোট এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয় ওই বৈঠকে।
