আজকাল ওয়েবডেস্ক: দশমীতে একের পর এক দুর্ঘটনা হুগলিতে। উত্তরপাড়ার মাখলায় পুকুরে ডুবে মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃত যুবকের নাম, সঞ্জয় কুমার সিং। তিনি মাখলার তেঁতুলতলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে মাখলা পদ্মপুকুরে এক বন্ধুর সঙ্গে স্নান করতে গিয়েছিলেন ওই যুবক। সেখানেই সাঁতার কাটতে কাটতে হঠাৎ জলে ডুবে যান তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁকে উদ্ধার করে উত্তরপাড়ার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই পরিবার মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে আসে। পরে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ নিয়ে যায়। আজ মৃতদেহ ময়নাতদন্ত হবে শ্রীরামপুর ওয়ালস্ হাসপাতালে। উৎসবের আবহে এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
সাঁতার জানা সত্ত্বেও কীভাবে জলে ডুবে যুবকের মৃত্যু হল, তা ঘিরে প্রশ্ন স্থানীয় বাসিন্দাদের মনেও।
অন্যদিকে প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় গুরুত্বর আহত হলেন আরও একজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুনিমিঁয়ার ঘাটে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা নিরঞ্জন করা হচ্ছিল। ব্যান্ডেল বলাগড় যুব সঙ্ঘের এক সদস্য তাঁদের প্রতিমা বিসর্জন দিতে আসেন।তিনি রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। আহত যুবকের নাম, শম্ভু দে।
এক এক করে সব গাড়ি লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছিল।সেই সময় হঠাৎ একটি বেপরোয়া গাড়ি লাইন ভেঙে ওভারটেক করতে গিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শম্ভু দে-কে চাপা দিয়ে দেয়। এরপর গাড়ির ডান দিকের চাকা রাস্তার পাশের হাইড্রেনে আটকে যায়। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ওই ভাবেই গাড়ির নীচে আটকে থাকেন ওই যুবক।
পরে স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও দমকলের চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায়, মুখে ও পিঠে গুরুতর চোট পেয়েছেন যুবক। পরে তাঁকে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
ঘটনার পরে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি সুনীল যাদব সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে হাজির হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়িটি ড্রাইভারের বদলে খালিসি চালাচ্ছিলেন। ইতিমধ্যেই খালাসিকে আটক করা হয়েছে।
