ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা অনুষদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের নীলিমা রাশেদ এবং রানারআপ হয়েছেন সংগীত বিভাগের মো. নাঈমুল ইসলাম আলোক। এতে ১০টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আশা ইসলাম নাঈম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি মানুষের নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। কলা অনুষদ শিক্ষার্থীদের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে আবৃত্তি ও অভিনয়ে প্রথম হন নীলিমা রাশেদ, রবীন্দ্রসংগীতে মো. নাঈমুল ইসলাম আলোক, নজরুলসংগীতে প্রমিতি রায়, লোকসংগীতে মো. রাজ্জাকুল ইসলাম রবি, সৃজনশীল নৃত্যে তন্বী সরকার এবং কুইজে মোছা. সুরাইয়া আফরিন। কোরআন তেলাওয়াতে প্রথম হন আব্দুল্লাহ আল জাওয়াদ। উপস্থিত বক্তৃতায় যৌথভাবে প্রথম হন মুহাম্মদ নাজমুল হাসান ও ফারিহা তাসনীম হৃদি।
দলগত বিতর্কে আরবি বিভাগের মুহাম্মদ নাজমুল হাসানের নেতৃত্বাধীন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের মো. আকিব মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দল রানারআপ হয়। সেরা বক্তা নির্বাচিত হন আরবি বিভাগের ফারহান আহমদ তাওসীফ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
