গোয়াইনঘাট (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা : সিলেটের গোয়াইনঘাটে রাতের আঁধারে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে বদরুল আলম (৩২) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আমিনুর রশিদ (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার গোরাগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক আমিনুর রশিদ ওই গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। আর নিহত বদরুল আলম গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের পদপ্রত্যাশী ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে ইতিমধ্যে কোর্টে চালান করা হয়েছে। কিন্তু, এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে একটি ফোন পেয়ে এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে পার্শ্ববর্তী গোরাগ্রাম এলাকায় যান বদরুল। পরে ভোর ৫টার দিকে পরিবারের কাছে ফোন আসে যে তাদের ওপর ১০-১৫ জনের একটি দল হামলা চালিয়েছে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গোরাগ্রামের বন্দরবাড়ি মসজিদের পাশের রাস্তা থেকে বদরুল ও তার সঙ্গে থাকা সাদেককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। দ্রুত তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তার সঙ্গী সাদেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক বড় অংকের টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে রোববার বাদ এশা হাদারপাড় শাহী ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তার বড় ভাই মাওলানা আখলাকুল আম্বিয়া।
