আরও একবার শিরোনামে বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। এবার 'পার্সোনালিটি রাইটস' বা ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিনেত্রী। আদালতে এদিন মামলাটি বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার-এর এজলাসে উঠলে তিনি অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ-কে এই ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষার আইন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় গবেষণা পত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সাথে এই একই ইস্যুতে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক রায় সম্পর্কেও জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার শুনানির শুরুতেই এদিন আদালতের প্রশ্ন ছিল এই ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষার আইনের মাপকাঠির মধ্যে আসলে কি কি অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে? জবাবে আইনজীবী জানান আসলে এই পার্সোনালিটি রাইটস বা ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষার আইনের মধ্যে দিয়ে একজন ব্যক্তির কণ্ঠস্বর, মুখমণ্ডল, তার নিজের নাম, এবং ছবি সংক্রান্ত সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।
একই সাথে তিনি জানান এই আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় কারও অনুমতি না নিয়ে বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক কিংবা আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এই সমস্ত ব্যক্তিগত জিনিসের ব্যবহার করা যাবে না। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে উপযুক্ত তথ্য পাওয়ার পর সেগুলি পর্যালোচনা করে একটি নির্দেশ দেওয়া হবে।
আইনজীবী আনন্দের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত জমা দেওয়া হবে এবং এগুলির উপর কোন এখতিয়ারগত জটিলতা থাকবে না। এই মামলার শুনানির দিন আগামী ২৯ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত এখনকার দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ব্যাপক হরে অপব্যবহার বেড়েছে এআই-এর। যার ফল ভুগতে হচ্ছে বিনোদন জগতের একাধিক তারকাদের। এই একই ইস্যুতে ইতিপূর্বে দিল্লি হাইকোর্ট একাধিক সেলিব্রেটিদের ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষায় ইতিবাচক রায় দিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত, যুবরাজ সিং রাজনীতিবিদ শশি থারুর-এর মতো ব্যক্তিত্বরা।
প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই একটি গয়নার বিপণনী সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপন দিতে গিয়ে চূড়ান্ত কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন বলিউডের 'পরম সুন্দরী ' অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। আর এবার তিনিই নিজের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হলেন।
