নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুক্রবারই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন মাওবাদী নেতা মঙ্গল ও তাঁর স্ত্রী মালতি। সূত্রের খবর, মঙ্গলের মাথার দাম ধার্য করা ছিল ৫ লক্ষ টাকা এবং মালতির মাথার দাম ধার্য করা হয় ২ লক্ষ টাকা। মঙ্গলের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও কার্তুজ এবং মালতির কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মসমর্পণের পর তারা অস্ত্রগুলি পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের কাছে জমা দেন। এই দম্পতির আত্মসমর্পণের পরেই কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ পশ্চিমবঙ্গকে সম্পূর্ণ মাওবাদী-মুক্ত বলে দাবি করেন।
মাওবাদী নেতা মঙ্গলের বাড়ি শালবনিতে এবং মালতীর বাড়ি ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। পরবর্তীতে তাঁরা ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে যান এবং সেখানে সারান্ডার জঙ্গলে মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ জানান, ২০১১-১২ সালের পর ঝাড়খণ্ডে চলে গিয়েছিলেন মঙ্গল। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে ৬-৭টি মামলা রয়েছে।
শুক্রবার লালবাজারে এসে আত্মসমর্পণ করেন এই মাওবাদী দম্পতি। সারান্ডার জঙ্গল থেকে তাঁরা প্রথমে কলকাতায় পালিয়ে আসেন এবং পরে লালবাজারে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা দেন। সূত্রের খবর, মাওবাদী নেতা মঙ্গলের সঙ্গে একসময় কিষেণজির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
আত্মসমর্পণের পর মঙ্গল বলেন, ‘হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে সমাজের পরিবর্তন আনা যায় না। তাই আমরা সেই পথ ছেড়ে, হিংসার পথ ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসতে চাই।’
