সংবাদ · রাজনীতি
‘খালেদা জিয়ার লুকে’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে মেঘনা
২০/১০/২০২৬

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে আবেদন করেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। গত ১৭ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর পদটি শূন্য হয়। মেঘনা আলম নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছেন।প্রার্থী হিসেবে গতকাল ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সাক্ষাৎকার দেন মেঘনা আলম। সাক্ষাৎ শেষে তিনি বেশ কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চেনা আদলে দেখা গেছে। খালেদা জিয়ার আদলে শাড়ি পরা, মাথায় ঘোমটা ও গলায় মুক্তার মালা পরিহিত মেঘনার এই বিশেষ রূপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়ে নেটিজেনদের।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজের বিশেষ অনুভূতি ব্যক্ত করেন মেঘনা আলম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কিছু মূল্যবান ভাবনা ভাগ করে নিয়েছেন এবং জাতীয় সংসদকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে তুলতে মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে মেঘনা আলম লেখেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে সম্মানিত। কিছু মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি ভাগ করে নিয়েছি। আশা করি, আল্লাহ আমাদের এই সংসদকে সত্যিই দক্ষ এবং কার্যকর করতে সাহায্য করবেন। আলহামদুলিল্লাহ।’ছবিগুলো পোস্ট করার পর কমেন্ট বক্সে নানা ধরনের প্রশ্ন ও মন্তব্য উঠে আসে। একজন অনুরাগী জানতে চান, মায়ের সাজে মেঘনা আলমকে দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুভূতি কেমন ছিল? এর জবাবে মেঘনা আলম জানান, ‘সত্যি বলতে, সম্মানিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়নি; আমি শুধু মার্জিত ও আন্তরিক দেখাতে চেয়েছিলাম। তবে মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখে ভালো লাগছে। আল্লাহ তাকে শান্তিতে রাখুন।’তবে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক বা অন্যান্য ঠিক কোন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে নিজের স্ট্যাটাসে বিস্তারিত কিছু জানাননি মেঘনা আলম।মডেলিংয়ের মাধ্যমে প্রথম পরিচিতি পেলেও সম্প্রতি নানামুখী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনায় আসে মেঘনা আলম। এবার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাওয়া, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং জাতীয় সংসদকে কার্যকর করার নতুন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗