উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার মণ্ডপ, ঠাকুর দেখার জন্য কেবল ভিড় হয় না। বেশ কয়েক বছর ধরে শহরতলি এলাকার পুজোগুলিও উঠে এসেছে দর্শকদের ভিড় টানার তালিকায়। কেবল মফসসল এলাকা থেকে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে যাওয়া নয়, শহরতলিতেও কলকাতার মানুষজন ঠাকুর, প্যান্ডেল হপিংয়ে যান। সেক্ষেত্রে লোকাল ট্রেনের উপর যাত্রীদের চাপ বাড়ে। সেই কথা মাথায় রেখেই শিয়ালদহ মেইন লাইনে একাধিক বিশেষ ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করেছে রেল।
কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, কল্যাণী শাখায় বিশেষ পরিষেবা থাকছে। কৃষ্ণনগর-শান্তিপুর রুটে চলবে বিশেষ ইএমইউ লোকাল। ফলে রাতের পুজো পরিক্রমা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেন পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটল যাত্রীদের। এমনই মনে করা হচ্ছে। রেলের সময়সূচি অনুসারে, ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর সিটি ও রানাঘাটের জন্য বিশেষ ট্রেন ছাড়বে বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে। রাত ৮টায় কৃষ্ণনগর সিটি থেকে শিয়ালদহগামী বিশেষ ট্রেন ছাড়বে। অন্যদিকে, রানাঘাট থেকেও শিয়ালদহ যাওয়ার জন্য রাত ৮টা ৮ মিনিটে একটি লোকাল ট্রেন ছাড়বে।
এছাড়াও শিয়ালদহ-কল্যাণী রুটেও থাকছে বিশেষ ট্রেন। শিয়ালদহ থেকে কল্যাণীর উদ্দেশে ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে। অন্যদিকে, কল্যাণী থেকে শিয়ালদহগামী বিশেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে। শিয়ালদহ-কল্যাণী রুটেও থাকছে বিশেষ ট্রেন।
বাড়তি ট্রেন থাকায় মেইন লাইনে যাত্রীদের চাপ কিছুটা কমবে। এমনই মনে করছে রেল। শিয়ালদহ থেকে কল্যাণীর জন্য সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে একটি ট্রেন ছাড়বে। কল্যাণী থেকে শিয়ালদহগামী বিশেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে। এছাড়াও নৈহাটি, কৃষ্ণনগর ও কল্যাণীর মধ্যে রাতের ট্রেন পরিষেবা থাকছে। রানাঘাট থেকে কৃষ্ণনগরের জন্য রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে বিশেষ ট্রেন ছাড়বে।
কৃষ্ণনগর থেকে নৈহাটিগামী ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে। নৈহাটি থেকে কৃষ্ণনগর গন্তব্যে ট্রেন ছাড়বে রাত ২টোয়। শিয়ালদহ-রানাঘাট, কল্যাণী-শিয়ালদহ রুটেও থাকছে রাতের বিশেষ ট্রেন। কৃষ্ণনগর ও শান্তিপুরের মধ্যেও বাড়তি লোকাল ট্রেন চলবে পুজোর দিনগুলিতে। এই দুই স্টেশনের মধ্যে ১৩ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ ইএমইউ লোকাল চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। শান্তিপুর থেকে কৃষ্ণনগরগামী বিশেষ লোকাল সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটে ছাড়বে। কৃষ্ণনগর-শান্তিপুর ও শান্তিপুর-রানাঘাট রুটের দু’টি লোকাল ট্রেনের সময়সূচিতেও পরিবর্তন করা হয়েছে।
