শহর থেকে মফস্বলে, সারাদেশের আনাচে কানাচে চলমান-ঘটমান তথ্য, সংবাদ, সমস্যা, সম্ভাবনা, অপরাধ, দূর্নীতি, অনিয়ম, অভিযোগ, প্রতিকার এসব প্রতিনিয়ত গঠনমুলকভাবে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে একদল কলম সৈনিক, যাদেরকে আমরা সাংবাদিক হিসেবেই চিনি। কিন্তু এ কাজে নেই তেমন পারিশ্রমিক, কেউ কাজ করেন নাম-সর্বস্ব বেতনে, আবার কেউ দুবেলা দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থা করে পরিবার চালানোর মতো পারিশ্রমিকও পান না। সাথে অন্য পেশাও চালিয়ে নেন। কিন্তু তাদের লেখা থেমে থাকে না। যুগযুগ ধরে তারা লিখে চলেছে। তবে এই লেখনীর কারণে নিজের অজান্তেই যে কাউকে শত্রু বানিয়ে ফেলে। ফলে শিকার হতে হয় সাংবাদিক নির্যাতনের ন্যায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বড় অপরাধের। কখনো হুমকি, কখনো মারধর, কখনো লাঞ্ছনা, কখনো আইনি জটিলতায়, কখনো পরিবারের ক্ষয়ক্ষতি বা কখনো নিজের জীবনটাই দিয়ে দিতে হচ্ছে। তবুও তারা লিখছে।
দেশের বর্তমান চিত্র বলছে, তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিককে পিটিয়ে হত্যা, মারধর, গুলি করা, কুপিয়ে হত্যা করা কিংবা হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধের গল্প নয়; এটি নিত্যনৈমিত্তিক ও ভয়ঙ্কর এক সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। কিছু লিখলেই যেন সে সাংবাদিক শত্রুতে রূপ নিচ্ছে। একসময়ে একজন সাংবাদিকের হাতে ক্যামেরা, নোটবুক কিংবা মাইক্রোফোন থাকলেই তিনি নিরাপদ, এমনটা ধারণা ছিলো। তবে সে সময় মুক্ত সাংবাদিকতা ছিলো। কিন্তু যুগের সাথে সাথে অপরাধের ধরন পাল্টিয়েছে, ফলে কোন সাংবাদিকই এখন নিরাপদ নন।
এতো এতো প্রতিকূলতা পেরিয়েও কিন্ত নির্ভীক সাংবাদিকদের লেখা থেমে নেই। সত্য প্রচার ও প্রসারে ঝুঁকি নিয়ে দূর দূরান্ত থেকে তথ্য সংগ্রহ করে চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের লেখনী। এ যেন এক নেশা। জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও সঠিক বার্তাটি সমাজের মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিতে সর্বদা অনড় থাকেন তারা। এর নামই হয়তো বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা। কেননা যারা সত্যের জন্য লড়েন, তারা ভয় করেন না। কারণ তিনি থেমে গেলে বা তার লেখনী থেমে গেলে সমাজের সত্য জানার অধিকার খর্ব হবে। তা জেনেও সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হচ্ছেন, হুমকি পাচ্ছেন, মামলায় জড়াচ্ছেন, গ্রেপ্তার হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ প্রাণও হারাচ্ছেন।
সম্প্রতি লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ নামে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের এক সাংবাদিক রাতে গুলি করে হত্যার শিকার হয়েছেন। তিনি এলাকার অনিয়ম ও অপরাধ নিয়ে তিনি লিখতেন। এজন্য বছর খানেক আগেও তাঁকে হতাহতের শিকার হতে হয়েছিল। সে সময়েও দোষীরা আইনের আওতায় আসে নি। এজন্য ফের হামলার শিকার হতে হয়েছে, যার ফলাফল দাড়ালো নিজের প্রাণ দিয়ে তার খেসারত দিতে হলো। এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। একটা ভয়ংকর সত্য ও বাস্তবতা হলো, এদেশে ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে না। হতাহত বা প্রাণ চলে গেলেও কিছু করার থাকে না। আইনের দারস্থ হলেও এসব অপরাধের বিচারও হয় না বা সময় লাগে। আমাদের দেশে আইন আর আদালতের মারপ্যাচে নিরীহ ও বিচার প্রত্যাশী মানুষগুলো অনেকটায় অসহায় হয়ে পড়ে। আর এরই ফায়দা নিয়ে অপরাধী চক্র আরও আগ্রাসী হয়।
তবে, এসব কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের ঝুঁকি আর হুমকি বা হয়রানিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা কোথাও অঙ্গহানী, আবার কোথাও প্রাণহানীতে উপনীত হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, সাংবাদিকের ওপর হামলার পর তা অপরাধী সনাক্ত করা কঠিন, আবার সনাক্ত হলেও প্রচলিত আইনে বিচারিক প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়। ফলে অপরাধীর কাছে একটি বার্তা যায় যে, সাংবাদিককে আঘাত করার ঝুঁকি হয়তো খুব বেশি নয়। সমাজে একটা প্রচলিত কথাও আছে, বিচার যত দীর্ঘায়িত হয়, অপরাধীর সাহস তত বাড়ে।
সাংবাদিক নির্যাতনের পরিসংখ্যানও বলছে, মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস), আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্যমতে, দেশে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সারাদেশে তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশের জেরে অন্তত ১৭ জন সাংবাদিককে প্রাণ হারাতে হয়েছে। এছাড়া মারধরের শিকার, হামলা, পিটুনীর শিকার হয়ে ১৪ শতাধিক সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এছাড়া অন্তত প্রায় ৮ শতাধিক সাংবাদিক হুমকী ও হেনস্থার শিকার হয়েছেন। এর বাইরে অন্তত ৯২ জন সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশের জেরে আটক ও মামলার শিকার হয়েছেন। এ সংখ্যা শুধুমাত্র সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছে। এর বাইরেও ব্যক্তিগত, পারবারিক, সামাজিক দ্বন্দ্বসহ বিভিন্ন কারণে আরও অসংখ্য সাংবাদিক হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা হয়তো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাংবাদিকতা পেশাকে টার্গেট করে।
সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সংকট নিয়ে কোন বিতর্ক থাকার কথা নয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবের পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও প্রবণতাটি জলের মতো স্পষ্ট। পরিসংখ্যান নিয়ে স্বস্তির কোনো কারণ নেই। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও ড. মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মিলিতে তিনটি সরকারের পথচলা রয়েছে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, ক্ষমতার কেন্দ্র বদলেছে, কিন্তু সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, সরকার কি কিছুই করছে না?
এ কথা বলা ঠিক হবে না যে সরকার কিছুই করছে না। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন সময়ে আইন পরিবর্তন, মামলা প্রত্যাহার, গণমাধ্যম সংস্কার এবং সাংবাদিকদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন সরকার আসলেই সাংবাদিকদের ওপর মামলা, হুমকি ও হামলা ঠেকাতে পৃথক সুরক্ষা কাঠামোর প্রস্তাবও আসে। সরকারও নানা উদ্যোগ নেয়। সবটা না হলেও কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন হয়। আবার পদেক্ষপ নিয়ে বা প্রস্তাব দিয়ে স্বপ্ন দেখায়, যা কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। উদ্যোগ আর বাস্তব ফল এক বিষয় নয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রস্তাবিত নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বাস্তবায়নের সঠিক রূপরেখা থাকে না, ফলে কাগজে থাকা সুপারিশ অনর্থক হয়ে পড়ে। ফাইলের নিচে চাপা পড়ে থাকে।
আবার আইনের মারপ্যাচও একজন সাংবাদিককে নানাভাবে হয়রানির সুযোগ সৃষ্টি করে রেখেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক্স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্বীকৃত। তবে একই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, মানহানি, আদালত অবমাননা ও অপরাধে প্ররোচনার মতো বিষয়ে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে মানহানিসহ নানা ধরণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করার সুযোগ রয়েছে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।
আবার আওয়ামীলীগ সরকারের হাত ধরে গড়ে ওঠা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের মতো আইনে নানা আইনী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে সাংবাদিকতার উপর। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (CGS)-এর পাঁচ বছরের গবেষণা অনুযায়ী, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২০১৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন বা সাংবাদিকতার কাজের কারণে কমপক্ষে ৪৫১ জন সাংবাদিক অভিযুক্ত বা মামলার শিকার হন। এছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ৭ জুলাই ২০২৪ সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় ৩৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়, যার মধ্যে একটা বড় অংশ ছিল সাংবাদিক।
এছাড়া দণ্ডবিধি (পেনাল কোড), ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, দাপ্তরিক গোপনীয়তা, রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা এবং তথ্য অধিকারে বিধি-নিষেধে তথ্য প্রকাশ ও লেখালেকির উপর শাস্তির বিধান রয়েছে। ফলে অনেকভাগ সময়ে এর ভুক্তভোগী হতে হয় সাংবাদিকদের। বিশেষ করে, যারা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করে। এজন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কোন তথ্য প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার আওতায় এবং কোনটি জনস্বার্থের তথ্য? তা স্পষ্ট হওয়া জরুরী।
এছাড়া, ডিজিটাল সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আইনি ঝুঁকি আরও জটিল। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হলেও তার অধীনে দায়ের হওয়া বহু মামলা পরবর্তী সময়ে আদালত ও প্রশাসনের সামনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এছাড়া ২০২৫ সালেও সাইবার অধ্যাদেশ ও ২০২৬ সালের এ বিষয়ক খসড়া আইন নিয়েও সাংবাদিক ও মানধিকারকর্মীদের উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে অস্পষ্ট ভাষা এবং আইন প্রয়োগের অতিরিক্ত ক্ষমতা ও শাস্তির বিধান নিয়ে। এছাড়া ধারা ও শব্দের অস্পষ্টতাও জনমনে শঙ্কা ও আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে, সাংবাদিকরা কিন্তু এর বাইরে নন।
তবে দোষ শুধু সরকার আর আইনী কাঠামোর দিলে হবে না। ভুল তথ্য প্রকাশ, যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লেখা বা তথ্যকে সংবাদ বানানো, বক্তব্যের পক্ষপাতমূলক আচরণ, ব্যক্তিগত বিরোধকে সাংবাদিকতার আড়ালে ব্যবহার, রাজনৈতিক পক্ষপাত বা দ্বিচারিতা, সাংবাদিক পরিচয়কে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার বানানো নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে এসব ঘটনা পেশাটির বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করছে এবং সাংবাদিক নির্যাতনের পথ আপনা আপনি তৈরি করে দিচ্ছে।
সব মিলিয়ে যেন সাংবাদিক নির্যাতন থামছেই না। আর থামাবেই বা কে? আর এ অপসাংবাদিকতা রোধে আসলেই কি কিছু করার নেই? কিংবা অপসাংবাদিকতা বন্ধ হলে কি সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ হবে? আইন কি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াবে? সাংবাদিক হত্যা বা নির্যাতনের কি সুষ্ঠু বিচার হবে? সাংবাদিক হিসেবে কি সংঘটিত নির্যাতনের বিচার পাবে? কার কাছে যাবে বিচারের জন্য? কাকে বলবে তার উপর ঘটে যাওয়া অমানবিক নির্যাতনের কথা? কার কাছে বলবে মত প্রকাশে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের কথা? কার কাছে বলবে তার মানবাধিকারের তথা?
এমন অসংখ্য প্রশ্ন রয়ে যায়। তবে আমি মনে করি, এর সমাধান ‘লাউড এন্ড ক্লিয়ার’। অপসাংবাদিকতা রোধ করে বিদ্যমান আইনী কাঠামোতে পরিবর্তন, পরিমার্জন ও সময়োপযোগী সাংবাদিকতা সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন করে নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুষ্ঠু বিচার প্রাপ্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। পাশাপাশি ব্যক্তিগত আক্রোশ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, রাজনীতিকরণ, সাংবাদিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার ও অপসাংবাদিকতা বর্জন করতে সাংবাদিকদের গড়ে তুলতে হবে। আর এর বাত্যয় হলে আইনের মুখোমুখী হতে হবে। আর কেউ সাংবাদিক নির্যাতন করে থাকলেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ‘অপরাধী যত বড় আর শক্তিশালী হোক না কেন, কোন ছাড় নয়’ এই নীতিতে অনেকটাই সমাধান হবে আশা করি।
সারকথা, সরকার বদলাবে। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে-যাবে। সম্পাদক বদলাবে। মালিকানা বদলাবে। কিন্তু একটি নীতি বদলানো উচিত নয় যে ‘সাংবাদিকের কলমের সঙ্গে লড়াই হবে যুক্তি ও আইনে, অস্ত্র বা প্রতিহিংসায় নয়।’ সাংবাদিক ভুল করলে আইন কথা বলবে। অপরাধ প্রমানিত হলে আদালত সিদ্ধান্ত দেবে। কিন্তু সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণে কেউ আক্রান্ত হলে রাষ্ট্র তাঁকে রক্ষা করতে হবে। আর সাংবাদিক নির্যাতিত হলে বিচার হতে হবে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমানভাবে। কারণ বিচারহীনতা শুধু অতীতের অপরাধকে ক্ষমা করে না, বরং ভবিষ্যতের অপরাধকেও আমন্ত্রণ জানায়। তাই, সাংবাদিককে নিরাপদ করা সাংবাদিককে বাঁচানোর প্রশ্ন নয়; বরং এটি সমাজের চোখ, কান ও বিবেককে বাঁচানোর প্রশ্ন।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
