ডিভাইডার ও লাইট পোস্টে ধাক্কা মারতে মারতে ছুটছিল চারচাকা। সেই বিপজ্জনক গাড়ি আটকাতে গিয়েই আক্রান্ত হলেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টর। ওই পুলিশ কর্মীকে শারীরিক হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম পল্লব কর। তিনি পেশায় আইনজীবী, বারাসত আদালতে প্র্যাকটিস করেন। বৃহস্পতিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লালকুঠির দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ওই গাড়িটি যাচ্ছিল। রাস্তার ডিভাইডার, লাইট পোস্টেও ধাক্কা মারা হয় বলে অভিযোগ। ওই গাড়িটির বিপজ্জনক গতিবিধি দেখে সেটিকে কোনওরকমে থামান বারাকপুর ট্রাফিক গার্ডের এসআই রাজেশচন্দ্র রায়। চালককে গাড়ি থেকে নামতে বলতেই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমে এসআইয়ের উপর চড়াও হন পল্লব।
আঙুল তুলে রীতিমতো শাসানো চলতে থাকে ওই পুলিশ কর্মীকে! অভিযোগ, পল্লবকুমার কর মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এসআইকে মারধরের পাশাপাশি চোখেমুখে নখের আঁচড় দেন তিনি! ওই হেনস্তার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অন্য পুলিশকর্মীরা। পরিস্থিতি সামল দেওয়া হয়। জখম এসআইকে বারাকপুরের বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। থানায় নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্তকে। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ, শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। ধৃতকে আদালতে পেশের আগে থানার বাইরে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেওয়া ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর পরিজনদের বিরুদ্ধে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, সরকারি কাজে বাধা, মারধর ও হুমকির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ধৃতকে এক দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গাড়িটিকেও আটক করা হয়েছে।
