Published on
:
2 min read
উত্তরপ্রদেশের উন্নাও শহরে তালাবন্ধ টিনের ট্রাঙ্ক থেকে উদ্ধার যুবকের মৃতদেহ। উন্নাওয়ে হাইওয়ের সার্ভিস লেন থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। পুলিশের সন্দেহ, ওই যুবককে খুন করা হয়েছে। খুনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নিহতের স্ত্রী ও প্রতিবেশী-সহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, স্থানীয় এক দোকানের কর্মী দেখেন, তিন-চার জন মিলে টিনের একটি ট্রাঙ্ক সার্ভিস রোডে ফেলে রেখে চলে যাচ্ছে। তা দেখে তাঁর সন্দেহ হয় এবং তিনি স্থানীয় থানার পুলিশকে খবর দেন।। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিনের বাক্স থেকে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত যুবকের নাম সোনু সবিতা (২৮)। যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁরা হলেন সোনুর স্ত্রী নেহা রাওয়াত, প্রতিবেশী জিতেন্দ্র ওরফে রাহুল সিং। এ ছাড়া, ধৃতদের মধ্যে এক নাবালক ও দুই শ্রমিকও রয়েছেন।
পুলিশের দাবি, জেরায় নেহা তাদের জানিয়েছেন, শুক্লাগঞ্জের কাঞ্চন নগরে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি ও তাঁর স্বামী। সোনু প্রায়ই মদপ্য হয়ে তাঁকে মারধর করতেন। এছাড়াও তাঁর স্বামীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিলে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। নেহার বয়ান অনুযায়ী, সোমবার সোনু বাড়িতে অশান্তি করেন। তার পরে তাঁর স্বামী প্রতিবেশী জিতেন্দ্রর সঙ্গে মদ্যপান করতে যান। সেখানে জিতেন্দ্র সঙ্গে সোনুর বচসা হয়। ঘটনাটি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছলে সোনু মাটিতে পড়ে যায় ও তাঁর মাথায় আঘাত লাগে। নেহার দাবি, জিতেন্দ্রই সোনুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। এছাড়াও তিনি জানান, মৃতদেহ সরিয়ে ফেলার জন্য জিতেন্দ্রই ওই টিনের ট্রাঙ্ক ও শ্রমিকদের ভাড়া করেছিল।
কিন্তু জিতেন্দ্র পুলিশের জেরায় পুরো ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তিনি উল্টে পুলিশকে জানিয়েছেন, ১৯ অক্টোবর সোমবার কানপুর থেকে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। নেহাই তাঁকে ফোন করে টিনের ট্রাঙ্ক ও শ্রমিকদের ভাড়া করার কথা বলেন।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ সুপার জয় প্রকাশ সিং বলেন,‘এই পুরো ঘটনাটি তদন্ত করতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুবই সাহায্য করেছে। মঙ্গলবার নেহা মৃতদেহটি নিয়ে যাওয়ার জন্য ১২০০ টাকা দিয়ে একটি টিনের বাক্স ভাড়া করে। এখনও পর্যন্ত ওই যুবকের স্ত্রী-সহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা জানতে পুলিশ আরও তদন্ত করছে।'
