চতুর্থ দিন: মুন্নার থেকে থেক্কাডি
সকালের খাবারের পর থেক্কাডির উদ্দেশে রওনা। পেরিয়ার ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিতে নৌকাবিহারের সুযোগ থাকলেও তার খরচ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত নয়।
পঞ্চম দিন: কুমারাকম ও হাউসবোটে রাত্রিবাস
কুমারাকম পৌঁছে হাউসবোটে ওঠার ব্যবস্থা থাকবে। ব্যাকওয়াটার্সের মনোরম পরিবেশে ক্রুজের পাশাপাশি লাঞ্চ, ডিনার ও ব্রেকফাস্ট পাওয়া যাবে। রাত কাটবে হাউসবোটেই।
ষষ্ঠ দিন: তিরুবনন্তপুরমের পথে
হাউসবোট থেকে নেমে তিরুবনন্তপুরম যাওয়ার পথে দেখা হবে জটায়ু আর্থস সেন্টার, কোভালাম বিচ এবং আজিমালা শিবমন্দির।
সপ্তম দিন: পদ্মনাভস্বামী মন্দির ও চিড়িয়াখানা
ভোরে শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির দর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। মন্দিরে নির্দিষ্ট পোশাকবিধি মানতে হবে। পরে তিরুবনন্তপুরম চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা হবে।
অষ্টম দিন: ভোপালে ফেরা
সকালের জলখাবারের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে বিমানবন্দরে যেতে হবে। সেখান থেকে বিমানে ভোপাল ফিরে সফর শেষ হবে।
প্যাকেজে কী কী সুবিধা রয়েছে?
প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত ভোপাল-কোচি ও তিরুবনন্তপুরম-ভোপাল রুটের রিটার্ন ইকোনমি বিমানভাড়া, ডিলাক্স হোটেলে ৭ রাতের থাকার ব্যবস্থা, কুমারাকম বা আলেপ্পিতে ১ রাত হাউসবোটে থাকা, নির্ধারিত খাবার, স্থানীয় যাতায়াত, দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ, ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স, পার্কিং, ড্রাইভার ভাতা, টোল ট্যাক্স ও GST।
তবে প্রবেশমূল্য, নৌকাবিহার, বনাঞ্চলে প্রবেশের ফি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের টিকিট এবং ব্যক্তিগত খরচ আলাদা করে দিতে হবে। বুকিংয়ের আগে IRCTC-র সরকারি ওয়েবসাইটে প্যাকেজের চূড়ান্ত ভাড়া, বিমানসূচি, শর্তাবলি যাচাই করে নিন।
