শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ রাত
নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরে আবারও এসেছে দুর্গাপূজা। এই উৎসব ঘিরে চলছে নানা পরিকল্পনা, আয়োজন। কেউ আত্মীয়দের বাড়িতে যাবেন, কেউ শহর থেকে দূরে যাবেন, আবার কেউ রাজধানীতেই থাকবেন।
অনিমা রায়
অষ্টমীর দিন রামকৃষ্ণ মিশনে যাব এবং লাইনে দাঁড়িয়ে প্রসাদ নেব। লাইনে দাঁড়িয়ে প্রসাদ নেওয়ার মধ্যে অন্য রকম আনন্দ কাজ করে। দশমীর দিন মাকে নিয়ে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাব। ওখানেও লাইনে দাঁড়িয়ে প্রসাদ নেব। এ ছাড়া সিঁদুর খেলা হয়। সেখানে খুব আনন্দ করি। এবারও তাই করব। গুলশানেও পূজা দেখতে যাব। নারায়ণগঞ্জের পূজা খুব ভালো হয়, সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। এভাবেই পূজার পরিকল্পনা সাজিয়েছি।
পূজার আনন্দ সার্বজনীন। খুব সুন্দর পরিবেশে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা হোক। সবাই মিলেমিশে যেন উৎসবমুখর পরিবেশে পূজার দিনগুলো উদযাপন করতে পারি। এখন পূজার সময় উপহার দিই, আর ছোটবেলায় পেতাম। দুটোর মধ্যেই আনন্দ কাজ করে।
তমালিকা কর্মকার
পূজার সময় এলেই দেশের কথা বেশি মনে পড়ে। দেশে কাটানো ফেলে আসা দিনগুলোতে যেভাবে পূজার সময় আনন্দ করতাম, সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। ফেলে আসা দিনের পূজার সুন্দর সময়গুলো অনেক মিস করি।
কৈশোরে পূজা মানেই ছিল নতুন পোশাক। বড়বেলাতেও তাই হতো। মা-বাবার কাছ থেকে নতুন পোশাক উপহার পেতাম। বিশেষ করে মা নিজ হাতে আমার জন্য জামা বানাতেন। ওই আনন্দ এই জীবনে আর হবে না। কখনোই পাব না।
দুর্গাপূজার সময় দেশে থাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগত সবাই মিলে আনন্দ করার বিষয়টি। সবাই মিলে দারুণ কাটত। এটা আমাকে এখনো ভাবায়, ভালো অনুভূতি দেয়। এখন দূরে থেকেও পূজার দিন ঘনিয়ে এলে অন্য রকম শান্তি কাজ করে। সবার মঙ্গল হোক। পূজার পরিবেশ সুন্দর থাকুক।
বিদ্যা সিনহা মিম
প্রত্যাশা করছি, সবাই মিলে অনেক সুন্দরভাবে এবং সুন্দর পরিবেশে যেন পূজার দিনগুলো কাটাতে পারি। একা নয়, সবাই মিলে যেন আনন্দ করতে পারি। পূজা এলেই উৎসব শুরু হয়ে যায়। তা যেন অব্যাহত থাকে।
পূজায় মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রতিবছর থাকে, এবারও আছে। পূজার সময় কখনো কখনো রাজশাহীতে যাই। সেখানে গেলে সুন্দর সময় কাটে। পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়। দুটোতেই আনন্দ পাই। দুর্গাপূজার আনন্দ ও উৎসব আমাদের সবার হোক।
চঞ্চল চৌধুরী
আমার কাছে পূজার আনন্দ একটু ভিন্ন। আমার কাছে পূজা মানেই গ্রামের বাড়িতে ভাই-বোনসহ সবার মিলনমেলা, সবাই মিলে আনন্দ করা। এই পরিবেশ ছোটবেলা থেকে দেখে দেখে আমি বড় হয়েছি। এই সুন্দর পরিবেশটাই আমি সারা জীবন দেখতে চাই। সব সময় প্রত্যাশা থাকে, পূজার সময়টা সবাইকে নিয়ে কাটানোর। এবারও সেই প্রত্যাশা করছি।
আগে বাবা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন পূজা বেশি ভালো লাগত। বাবা চলে যাওয়ার পর পূজার সময়ে বাবার কথা বেশি মনে পড়ে। আনন্দের দিনে বাবাকে বেশি মনে পড়ে। বাবা আমার শিক্ষকও ছিলেন। নিশ্চয়ই দূর থেকে তিনি আশীর্বাদ করছেন।
