Published on
:
2 min read
পুজো মণ্ডপে ঘুরে ঘুরে হাত সাফাই করে বেরিয়েছে দেদার। পুজো মিটতে না মিটতেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ১৩ জন। ভিড়ের সুযোগে একাধিক মণ্ডপে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি লজ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আন্তঃরাজ্য ছিনতাইবাজ চক্রের ১৩ জনকে। এদের মধ্যে পুরুষ, মহিলা উভয়ই আছে।
পুজোর সময়ে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে বাঁকুড়া শহরে একের পর এক মণ্ডপে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সামগ্রী ছিনতাই ও হাত সাফাই ছিল টার্গেট। রীতিমতো টাকা খরচ করে বাঁকুড়া শহরের একটি বেসরকারি লজে ঘাঁটি গেড়েছিল একটি দল। পুজোর দিনগুলিতে অবাধে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে গয়না, ঘড়ি ও মোবাইল ফোন চুরির কাজে সাফল্যও পায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।
এক নজরে
বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি লজ থেকে ৯ জন মহিলা-সহ মোট ১৩ জন ছিনতাইবাজ গ্রেপ্তার।
উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওডিশার বিভিন্ন জায়গার বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে বাঁকুড়ায় লজ ভাড়া করে এই চুরির চক্র চালাচ্ছিল।
নতুনচটি ও মধ্য কেন্দুয়াডিহি সর্বজনীন পুজো মণ্ডপে দুই মহিলার গলার সোনার হার চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়।
পুজোর ভিড়ে দর্শনার্থীদের সোনার গয়না, ঘড়ি এবং মোবাইল ফোন ছিনতাই করাই ছিল এই চক্রের মূল লক্ষ্য।
ধৃতদের বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে অবশেষে বাঁকুড়ার ওই বেসরকারি লজে হানা দিয়ে ৯ জন মহিলা-সহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করল বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রত্যেককে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত।
পুজোর সময় ভিড় ঠেলে একের পর এক মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখেন হাজার হাজার মানুষ। অনেকেই দামি গয়না, ঘড়ি বা অন্যান্য জিনিস ব্যবহার করেন। সঙ্গে থাকে মোবাইল ফোনও। গত কয়েকদিনে বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্যান্ডলে ঘুরে ওই দলটি হাত সাফাই করছিল বলে অভিযোগ।
১৩ জনের মধ্যে কারও বাড়ি উত্তরপ্রদেশ, কারও বিহার, কেউ ঝাড়খণ্ড বা ওডিশার। পুজোর কয়েকদিন ধরে বাঁকুড়ার বিভিন্ন বড় মণ্ডপে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এই চক্রের ছিনতাইবাজরা একের পর এক দর্শনার্থীর কাছ থেকে সোনার গয়না, ঘড়ি ও মোবাইল ফোন চুরি করে।
পুজোর মধ্যেই বাঁকুড়া সদর থানায় পৃথক ভাবে এসে দুই মহিলা অভিযোগ জানান যে বাঁকুড়ার নতুনচটি সর্বজনীন ও মধ্য কেন্দুয়াডিহি সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপ দেখতে গিয়ে খোয়া গিয়েছে তাঁদের গলায় থাকা সোনার হার। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ওই আন্তঃরাজ্য ছিনতাইবাজ চক্রের হদিশ পায়। এর পরেই পুলিশ হানা দেয় বাঁকুড়ার গোবিন্দনগরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকা একটি বেসরকারি লজে। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে।