Published on
:
1 min read
নয়াদিল্লি: মেয়েদের মেনস্ট্রুয়াল হেলথ বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি? সেই রিপোর্ট জমা না–করলে সেটি আদালত অবমাননা হিসেবেই গণ্য হবে—বৃহস্পতিবার এ কথাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চের প্রশ্ন, ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশের এত দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কেন কেন্দ্রের চাওয়া রিপোর্ট জমা দেয়নি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি? বিচারপতিদের বক্তব্য, ‘১৪ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানিতে যদি শুনি, কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই তথ্য জমা দেয়নি, তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে নোটিস জারি হবে।’
৩০ জানুয়ারির রায়ে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যকে সংবিধানের ২১ ধারায় জীবনের অধিকারের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বক্তব্য ছিল, দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় অল্পবয়সি মেয়েরা ঋতুস্রাবের সময়ে প্রায়ই স্কুল যেতে পারে না, কারণ সেখানে মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন বজায় রাখার মতো পরিকাঠামো নেই। তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে মেয়েদের আলাদা শৌচালয়, পর্যাপ্ত জলের জোগান, বিনামূল্যে স্যানিটরি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন এবং অন্যান্য ঋতুকালীন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে।
এ দিন ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, ‘মৌলিক অধিকার যদি শুধু খাতায় কলমেই পড়ে থাকে, তাহলে বাস্তবায়ন হবে কী করে?’