Published on
:
2 min read
এখন আর প্ল্যানিংয়ের সময় নেই। এখন শুধুই প্যান্ডেল হপিং (Durga Pujo 2026) আর কব্জি ডুবিয়ে ভূরিভোজের সময়। তার সঙ্গে চলবে সাজগোজও। কিন্তু ঠাকুর দেখতে গিয়ে শরীরে খারাপ করে ফেলবেন না।
গরমের মধ্যে একটানা হেঁটে ঠাকুর দেখতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও এক-দেড় ঘণ্টা লাইনেও দাঁড়াতে হবে। এই সময়ে ঘাম হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু এই ঘাম যে ডিহাইড্রেশন ডেকে আনতে পারে, তা কি জানেন?
ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল এবং খনিজ পদার্থ বেরিয়ে যায়। এর জেরে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, এবং পায়ের পেশিতে টান লাগার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আর ঠিক এই কারণেই কয়েকটা ঠাকুর দেখার পরেই ক্লান্ত হয়ে যায়। উৎসবের আনন্দ যাতে মাটি না হয়, তার জন্য শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আর সেটা করতে হবে এখন থেকেই।
পর্যাপ্ত জল পান
জলের সঙ্গে সমঝোতা করলে চলবে না। সারাদিন ধরে জল খেতে হবে। প্যান্ডেল হপিংয়ে বেরোলে সঙ্গে জলের বোতল রাখুন। ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এই কৌশল কাজে লাগান। জল তেষ্টা পাওয়ার পরে জল খাবেন— এই ভুল করবেন না। অল্প অল্প করে জল খেতে থাকুন। যখন অত্যধিক ঘাম হচ্ছে, তখন পর্যাপ্ত জল খেতেই হবে।
খেতে পারেন এই সব পানীয়ও
ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণের জন্য শুধু জল খেলে চলবে না। ডাবের জল, নুন-চিনি দিয়ে লেবুর জল, ঘোল বা লস্যি বা ওআরএস খেতে পারেন। কিন্তু রাস্তার ধার থেকে লেবুর জল কিনে খাওয়া ভালো নয়। তার চেয়ে ওআরএস বা লেবুর জল বানিয়ে বোতলে ভরে সঙ্গে নিয়ে বেরোতে পারেন। এ ছাড়া ডাবের জল কিনে খেতে পারেন।
খাবারের দিকেও নজর দিন
উৎসবের দিনগুলোয় খাওয়াদাওয়ারও ঠিক থাকে না। কিন্তু কোনও মিল বাদ দেবেন না। চেষ্টা করুন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার। আর ডায়েটে শসা, মুসাম্বি লেবুর মতো ফল রাখুন। পাশাপাশি চিকেন স্টু বা মাছের ঝোলও খেতে পারেন বাড়িতে। এতে যেমন পেট ভালো থাকবে, তেমনই শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
FAQ
১. প্যান্ডেল হপিংয়ে ডিহাইড্রেশন কেন হয়?
একটানা হাঁটা, গরম ও অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে জল এবং খনিজ পদার্থ বেরিয়ে যায়।
২. ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ কী কী?
ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা এবং পায়ের পেশিতে টান লাগা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।
৩. প্যান্ডেল হপিংয়ের সময়ে কোন পানীয় খাওয়া ভালো?
জল, ডাবের জল, ঘোল বা প্রয়োজন অনুযায়ী ওআরএস খেতে পারেন।
৪. রাস্তার ধারের লেবুর জল খাওয়া উচিত কি?
পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ জল ব্যবহারের বিষয়ে নিশ্চিত না হলে রাস্তার ধারের লেবুর জল এড়িয়ে চলুন।
৫. পুজোর সময়ে কোন খাবার শরীর হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে?
শসা, মুসাম্বির মতো জলসমৃদ্ধ ফল এবং পর্যাপ্ত তরলযুক্ত খাবার শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
